শিরোনাম
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ ভোটকেন্দ্রে ভোট প্রদান করলেন সেনা প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান প্রথমবারের মতো ভোট দিলেন তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান শান্তিপূর্ণভাবে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ শুরু পোরশার ভোট কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট পেপারসহ ভোট গ্রহণের সরঞ্জাম বিতরণ।  নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামীকাল বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর লড়াইয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে মাওলানা এহসানুল হক লালমনিরহাট-১ আসনে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলেন জামায়াত প্রার্থী আমরা একটি অত্যন্ত ভালো, অংশগ্রহণমূলক, বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা করছি : ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান 
শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন

জন্মনিবন্ধন তৈরিতে ডিজিটাল ভোগান্তির স্বীকার নাগরিকরা- শিশুবন্ধু মুহাম্মদ আলী

রিপোটারের নাম / ৫৩৮ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২১ আগস্ট, ২০২৩

 

বর্তমানে ভোগান্তির নতুন নাম জন্মসনদ ভোগান্তি। জন্মসনদ তৈরি করতে ভোগান্তির স্বীকার হয় নি এমন মানুষ খুজেঁ পাওয়া যাবে না। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি পুঁজি করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে দালাল চক্র। দ্রুত সময়ের মধ্যে জন্মসনদ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, পাসপোর্ট, চাকরিতে যোগদান, জাতীয় পরিচয় পত্র সহ নাগরিক সেবার ১৯ টি ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় জন্মসনদ। যা বর্তমানে জন্মসনদ একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিলও বলা যায়। যা সবার ক্ষেত্রে আবশ্যিকভাবে বিশেষ প্রয়োজন। এমন কি কেউ মারা গেলেও মৃত্যু সনদ করতে প্রয়োজন হয় জন্মসনদের। মৃত্যু সনদ ব‍্যতিত উত্তরাধিকার নিশ্চিত করা যায় না। এক কথায় সব মিলে একজন নাগরিকের এই সনদ টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত করা যায়

জন্মসনদ এতটাই প্রয়োজন যে যা তৈরি করতে বিভিন্ন দালাল চক্রের খপ্পর পড়তে বাধ‍্য হয়। দ্রুত সময়ের মধ্যে সনদ দেওয়ার কথা বলে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েও সঠিক সময়ের মধ্যে পাচ্ছে না সনদ। বিভিন্ন সার্ভার সমস্যার অযুহাতে বিলম্বিত হচ্ছে।

অনলাইনে আবেদন করার পরও সার্ভার সমস্যা,পিতা মাতার নামের বানান ভুল, অনলাইন কপিতে সমস্যা সহ নানান জটিলতার অজুহাত দেখিয়ে মাসের পর মাস ঝুলিয়ে রাখছে আবেদন।

এর কারনে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে। স্কুলে ভর্তি এবং চাকরির প্রয়োজনে জন্মসনদ একটি গুরুত্বপূর্ণ সনদ ; কিন্তু সঠিক সময়ে তা পাওয়ায় অনেকে স্কুলে ভর্তি কিংবা চাকরি করতে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।
এই সার্ভার সমস্যার কথা বলে প্রায় ২-৩ মাস পর্যন্ত জন্মসনদ কার্যক্রম স্থগিত হয়ে আছে। যা ডিজিটাল সমস্যা পরিণত হয়েছে।
দ্রুত সময়ের মধ্যে এই সমস্যার সমাধান করতে না পারলে চরম ভোগান্তি সহ বিপদে পড়তে হবে সাধারণ নাগরিকরা।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ