শিরোনাম
চন্দনাইশে মখলেছুর রহমান চৌধুরী-আলতাজ খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরামের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন ও ঈদ পুনর্মিলনী চন্দনাইশ বৈলতলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী মেলা ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বসতভিটা দখল নিয়ে বর্বর হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪ যোগ্য নেতৃত্বের খোঁজে কালিগঞ্জবাসী: পছন্দের শীর্ষে সাংবাদিক শামীম। প্রযুক্তি বনাম নৈতিকতা: এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও নকলমুক্ত আগামীর চ্যালেঞ্জ।। হাম টিকার অভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের দাবি – এডব্লিউসিআরএফ রাশিয়ার ফার্স্ট সেক্রেটারীর সাথে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় পোরশায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে ২৭০টি ছাগল বিতরণ।  গণমানুষের প্রতিনিধিত্বশীল সাংবাদিকতা পছন্দ করতেন প্রয়াত সাংবাদিক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন

রাশিয়া ও ইউক্রেনের সংঘাত সমাধানে শান্তিচুক্তির জন্য উভয় পক্ষকেই কিছু ভূখণ্ড ছাড় দিতে হবে : মার্কো রুবিও

রিপোটারের নাম / ৬৫৭ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫

 

এইচটি আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান সংঘাত সমাধানে শান্তিচুক্তির জন্য উভয় পক্ষকেই কিছু ভূখণ্ড ছাড় দিতে হবে। এমনটাই জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

 

তিনি জানান, ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তা গড়ে তুলতে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

 

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে রাশিয়া ও ইউক্রেন— উভয়কেই কিছু ভূখণ্ডগত ছাড় দিতে হবে। তিনি বলেন, “এটা সহজ নয়, হয়তো ন্যায়সংগতও নয়, কিন্তু যুদ্ধ শেষ করতে হলে এমনটিই করতে হবে।”

 

রুবিও গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকেও উপস্থিত ছিলেন।

 

রুবিও জানান, ঠিক কোন সীমারেখা হবে তা নির্ধারণ করবেন পুতিন ও জেলেনস্কি, আর যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা হবে উভয় পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, “আমরা সেখানে সমন্বয় করার জন্য থাকব।”

 

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ইউক্রেনের জন্য একটি নিরাপত্তা নিশ্চয়তা গড়ে তুলতে যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় মিত্রদের পাশাপাশি অ-ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গেও কাজ করছে।

 

তিনি বলেন, “এটা শান্তিচুক্তির পর কার্যকর হতে হবে, যাতে ইউক্রেন ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ বোধ করে।”

 

রুবিওর ভাষায়, অনেক দেশই ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিতে প্রস্তুত। তবে তিনি বলেন, “ইউক্রেনীয়রা আমাদের বলেছেন, তাদের ভবিষ্যতের সবচেয়ে শক্তিশালী নিরাপত্তা নিশ্চয়তা হবে একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়ে তোলা।”


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ