শিরোনাম
চট্টগ্রাম চান্দগাঁওয়ে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত কৃতিত্ব কোনো একক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়; বরং এই কৃতিত্ব দেশের জনগণের : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী পোরশার পুরইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান কে সংবর্ধনা।  পাটগ্রামে ১০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার ড্যাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চন্দনাইশের হাশিমপুর ৪ নং ওয়ার্ডে ৫’শতাধিক হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন মনজুর মোরশেদ পরিবেশ রক্ষায় পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের বৃক্ষরোপণ মিরপুর-১১ নম্বরে  দুর্বৃত্তদের গুলিতে বিএনপি নেতা গুরুতর আহত পাটগ্রামে চিকিৎসা সেবায় বীর মুক্তিযোদ্ধা দবির উদ্দিন ফাউন্ডেশন পাটগ্রামের দহগ্রাম ইউনিয়নের প্রধান সড়ক ভেঙ্গে যোগাযোগ বিছিন্ন
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ন

রাশিয়া ও ইউক্রেনের সংঘাত সমাধানে শান্তিচুক্তির জন্য উভয় পক্ষকেই কিছু ভূখণ্ড ছাড় দিতে হবে : মার্কো রুবিও

রিপোটারের নাম / ৯০৩ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫

 

এইচটি আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান সংঘাত সমাধানে শান্তিচুক্তির জন্য উভয় পক্ষকেই কিছু ভূখণ্ড ছাড় দিতে হবে। এমনটাই জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

 

তিনি জানান, ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তা গড়ে তুলতে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

 

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে রাশিয়া ও ইউক্রেন— উভয়কেই কিছু ভূখণ্ডগত ছাড় দিতে হবে। তিনি বলেন, “এটা সহজ নয়, হয়তো ন্যায়সংগতও নয়, কিন্তু যুদ্ধ শেষ করতে হলে এমনটিই করতে হবে।”

 

রুবিও গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকেও উপস্থিত ছিলেন।

 

রুবিও জানান, ঠিক কোন সীমারেখা হবে তা নির্ধারণ করবেন পুতিন ও জেলেনস্কি, আর যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা হবে উভয় পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, “আমরা সেখানে সমন্বয় করার জন্য থাকব।”

 

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ইউক্রেনের জন্য একটি নিরাপত্তা নিশ্চয়তা গড়ে তুলতে যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় মিত্রদের পাশাপাশি অ-ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গেও কাজ করছে।

 

তিনি বলেন, “এটা শান্তিচুক্তির পর কার্যকর হতে হবে, যাতে ইউক্রেন ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ বোধ করে।”

 

রুবিওর ভাষায়, অনেক দেশই ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিতে প্রস্তুত। তবে তিনি বলেন, “ইউক্রেনীয়রা আমাদের বলেছেন, তাদের ভবিষ্যতের সবচেয়ে শক্তিশালী নিরাপত্তা নিশ্চয়তা হবে একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়ে তোলা।”


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ