শিরোনাম
৫০০ টাকা মজুরিসহ ৪ দফা দাবিতে চান্দপুর চা বাগানে মানববন্ধন পোরশায় ডাসকো ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ১০ কন্যা শিশুকে ৫০০০ হাজার টাকা শিক্ষা বৃত্তি প্রদান। অ্যাডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি) কর্তৃক চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ফেন্সিডিল আটক।    কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল পাটগ্রাম ছাত্রশিবির ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পোরশাকে মাদকমুক্ত করতে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা চাইলেন ওসি জিয়াউর রহমান। মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে ইউএনও মাহমুদুল হাসান, রোগীদের সেবার মান ও হাসপাতালের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ । বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আবার কি ইংল্যান্ডে ফিরবেন হ্যারি কেইন
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন

রাশিয়া ও ইউক্রেনের সংঘাত সমাধানে শান্তিচুক্তির জন্য উভয় পক্ষকেই কিছু ভূখণ্ড ছাড় দিতে হবে : মার্কো রুবিও

রিপোটারের নাম / ৯২০ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫

 

এইচটি আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান সংঘাত সমাধানে শান্তিচুক্তির জন্য উভয় পক্ষকেই কিছু ভূখণ্ড ছাড় দিতে হবে। এমনটাই জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

 

তিনি জানান, ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তা গড়ে তুলতে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

 

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে রাশিয়া ও ইউক্রেন— উভয়কেই কিছু ভূখণ্ডগত ছাড় দিতে হবে। তিনি বলেন, “এটা সহজ নয়, হয়তো ন্যায়সংগতও নয়, কিন্তু যুদ্ধ শেষ করতে হলে এমনটিই করতে হবে।”

 

রুবিও গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকেও উপস্থিত ছিলেন।

 

রুবিও জানান, ঠিক কোন সীমারেখা হবে তা নির্ধারণ করবেন পুতিন ও জেলেনস্কি, আর যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা হবে উভয় পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, “আমরা সেখানে সমন্বয় করার জন্য থাকব।”

 

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ইউক্রেনের জন্য একটি নিরাপত্তা নিশ্চয়তা গড়ে তুলতে যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় মিত্রদের পাশাপাশি অ-ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গেও কাজ করছে।

 

তিনি বলেন, “এটা শান্তিচুক্তির পর কার্যকর হতে হবে, যাতে ইউক্রেন ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ বোধ করে।”

 

রুবিওর ভাষায়, অনেক দেশই ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিতে প্রস্তুত। তবে তিনি বলেন, “ইউক্রেনীয়রা আমাদের বলেছেন, তাদের ভবিষ্যতের সবচেয়ে শক্তিশালী নিরাপত্তা নিশ্চয়তা হবে একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়ে তোলা।”


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ