শিরোনাম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপি থেকে জয়ী প্রার্থীরা। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন: তারেক রহমানকে এডব্লিউসিআরএফ-এর অভিনন্দন লালমনিরহাটের ৩টি আসনেই ধানের শীষ বিজয়ী। নতুন সরকারের মন্ত্রী হচ্ছেন কারা! তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী। ঐতিহাসিক গণভোটে বড় জয় পেয়েছে সংস্কারপন্থী ‘হ্যাঁ’ পক্ষ । সাতক্ষীরা জেলার নির্বাচনি লড়াইয়ে বড় জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। নতুন সরকারের শপথ পড়াবেন কে? মহেশপুরে প্রেসক্লাব কার্যালয়ে দুর্বৃত্তদের হামলা: ভাঙচুর-লুটপাট তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রেসিডেন্ট ও প্রধান উপদেষ্টা

রিপোটারের নাম / ৩০৮ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

 

এইচটি  বাংলা  ডেস্ক  : মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা ৫ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি, পরে প্রধান উপদেষ্টা পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তারা। এসময় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরাসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

৫৩ বছর আগে দেশের স্বাধীনতার লালিত বিজয়ের মাত্র দুই দিন আগে দখলদার বাহিনী স্থানীয় কুচক্রীদের সহায়তায় উদীয়মান বাংলাদেশকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পঙ্গু করার উদ্দেশ্যে একযোগে দেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিল।

 

১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত অধ্যাপক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, শিল্পী, প্রকৌশলী ও লেখকসহ এ দেশের দুই শতাধিক কৃতী সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

 

সেই থেকে দিনটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

 

এর আগে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ ও পথ অনুসরণ করে একটি অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক সুখী-সমৃদ্ধ এবং বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারলেই তাদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে।

 

১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের ঊষালগ্ন এলে মুক্তির নিঃশ্বাস ফেলে আপামর জনতা। মিরপুর ও রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে গেলে পাওয়া যায় বুদ্ধিজীবীদের মরদেহ। হাত-পা বাঁধা সেসব মরদেহ জুড়ে আঘাত আর ক্ষতচিহ্ন। গুলি, ধারালো অস্ত্রের দাগ। অনেক মরদেহ স্বজনরা শনাক্ত করতে পারেননি।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ