শিরোনাম
তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন। পোরশায় ব্র্যাকের মাইক্রােফাইন্যান্স কর্মসূচির আয়োজনে ২৭০০ টি বিনা মূল্যে গাছের চারা বিতরণ । চন্দনাইশে সম্পত্তি বিরোধ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন, মিথ্যা মামলা ও হয়রানির অভিযোগ চন্দনাইশে হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের আলোচনা সভা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া ভেনেজুয়েলাকে সহায়তার দিবে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। চীন বাংলাদেশের অন্যতম ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ : প্রধানমন্ত্রী  ইরান যুদ্ধের কারনে ট্রাম্পের প্রশাসন কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত  ডলারের বাজেট অনুমোদনের আবেদন জানিয়েছে।  বিএসএফ কর্তৃক পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিদের ফেরত নিয়ে যাওয়া। চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে ‘দুঃসময়ের কাণ্ডারি’ ফয়সাল সিকদার সোহানকে চান তৃণমূল কর্মীরা চন্দনাইশের হাশিমপুরে গাউসিয়া কমিটি ১নং ওয়ার্ডের ইউনিট শাখার ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (দ:) মাহফিল
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৭:৫৭ অপরাহ্ন

সাংবাদিকদের আবাসনের উদ্যোগ নিয়েছি : প্রধানমন্ত্রী 

রিপোটারের নাম / ৭০০ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ জুলাই, ২০২৩

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক:  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা সাংবাদিকদের আবাসনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছি। ইতিমধ্যে অনেকেই প্লট পেয়েছেন, কেউ কেউ তা বিক্রিও করেছেন। সরকারিভাবে অনেক ফ্ল্যাট তৈরি করা হয়েছে। সামান্য কিছু টাকা জমা দিয়ে সাংবাদিকরা চাইলে কিস্তিতে পরিশোধ করে এসব ফ্ল্যাট নিতে পারবেন।’

আজ সোমবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অসুস্থ, অসচ্ছল ও দুর্ঘটনায় আহত এবং নিহত সাংবাদিক পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা ভাতা বা অনুদানের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এদেশে কোনো মানুষ ভূমিহীন থাকবে না, গৃহহীন থাকবে না। তাদেরকে আমরা ঘর করে দিচ্ছি। আমরা চাই প্রত্যেকের একটা ঠিকানা হবে। সেই সাথে তাদের আমরা বিনা সুদে ঋণ দিচ্ছি, কাজের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ন্যাম সম্মেলনের জন্য আমরা যখন ফ্ল্যাট তৈরি করি তখনই আমার একটা লক্ষ্য ছিল সম্মেলন শেষে এই ফ্ল্যাটগুলো কবি, শিল্প, সাহিত্যিক ও সাংবাদিকদের দেব। কারণ, তাদের চাকরির কোনো স্থায়িত্ব থাকে না। যখন তারা বৃদ্ধ বা অসুস্থ হয়ে যায় কি করেএ চলবে? সরকারি চাকরি যারা করেন তারা তো অবসর ভাতা পান, আমাদের রাজনীতিবিদদের জন্যও কিছু থাকে না, আবার সাংবাদিকদেরও কিছু থাকে না। এটাই বাস্তবতা। তাই সরকারি ফ্ল্যাটগুলো চাইলে আপনারা সাংবাদিকরা নিতে পারেন।’

তিনি বলেন, ‘সংবাদপত্রকে বলে সমাজের দর্পণ। বাস্তবে তাই। এই সংবাদপত্র দেখলেই অনেক তথ্য পাওয়া যায়। আমি নিয়মিত শুধু পড়িই না, কোন সমস্যা দেখলে তার ছবি তুলে আমার অফিসের কার কাছে পাঠালে কাজ হবে তার কাছে পাঠিয়ে দি। সংবাদপত্র থেকে এই সংবাদগুলো পাওয়া যায়। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে অনেক সহজ হয়।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কারো মুখাপেক্ষী না, কারো অধীনস্থ না। অন্যের কাছে নালিশ করে নিজের দেশের বদনাম করা, সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রেও আপনারা এমন কিছু লিখবেন না যা নিজের দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। কোথাও খারাপ কিছু দেখলে অবশ্যই আপনারা বলবেন, কিন্তু এমন কিছু না বলা যাতে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ