শিরোনাম
পোরশায় উৎসব মুখর পরিবেশে মহান মে দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।  পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ কর্তৃক কুরআন মাজিদ বিতরন আজ ঐতিহাসিক  মহান ‘মে দিবস’ চলতি বছরই ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ‘সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম’ শীর্ষ সম্মেলন জোয়ারা খানখানাবাদ নূতন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন চন্দনাইশে মখলেছুর রহমান চৌধুরী-আলতাজ খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরামের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন ও ঈদ পুনর্মিলনী চন্দনাইশ বৈলতলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী মেলা ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বসতভিটা দখল নিয়ে বর্বর হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪ যোগ্য নেতৃত্বের খোঁজে কালিগঞ্জবাসী: পছন্দের শীর্ষে সাংবাদিক শামীম।
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৫:৪১ অপরাহ্ন

ইসরাইলকে উদ্দেশ্য করে বড় হুমকি দিল হুতি।

রিপোটারের নাম / ৬৪৯ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫

 

এইচটি বাংলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইসরাইলকে উদ্দেশ্য করে বড় হুমকি দিল ইয়েমেনের সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠী হুতি। সামরিক অভিযানের চতুর্থ ধাপে প্রবেশের ঘোষণা দিয়ে গোষ্ঠীটির মুখপাত্র জানিয়েছেন—ইসরাইলের সঙ্গে বাণিজ্য করে কিংবা তাদের বন্দর ব্যবহার করলেই, যে কোনো দেশের যেকোনো জাহাজ হবে হুতিদের বৈধ লক্ষ্য।

রয়টার্স হুতি সামরিক মুখপাত্রের বরাতে জানায়, এখন থেকে ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব জাহাজকে তারা বৈধ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করবে। গোষ্ঠীটির দাবি—ইসরাইলের আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া এবং গাজা অবরোধ না তুলে নেওয়া পর্যন্ত তাদের সামরিক অভিযান চলবেই। তারা জোর দিয়ে বলেছে, এই হামলার সিদ্ধান্ত নৈতিক ও মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে নেওয়া হয়েছে।

সকল আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিকে সতর্ক করে হুতি যোদ্ধারা বলেছে—ইসরাইলি বন্দর ব্যবহারে সম্পৃক্ততা বন্ধ না করলে তাদের জাহাজও হুমকির মুখে পড়বে। কেউ সতর্কবার্তা না মানলে সেই জাহাজ যে কোনো সময় ইয়েমেনি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হতে পারে।

তবে গোষ্ঠীটি একযোগে এটাও জানিয়েছে, ইসরাইল যদি গাজায় সামরিক অভিযান বন্ধ করে এবং অবরোধ প্রত্যাহার করে, তাহলে তারা সব ধরনের হামলা স্থগিত করবে।

হুতি মুখপাত্র বলেন, “ইসরাইলের শাসনব্যবস্থা গোটা বিশ্বের জন্য হুমকি। তাদের আগ্রাসন বন্ধে এবং গাজা অবরোধ প্রত্যাহারে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করতেই হবে।” তিনি জানান, বর্তমানে গাজার জনগণ চরম খাদ্য ও পানির সংকটে ভুগছে, যা কোনো মানবিক বিবেচনাতেই গ্রহণযোগ্য নয়—বিশেষ করে আরব ও মুসলিম দুনিয়ার কাছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরাইল। এরপর থেকেই নির্যাতিত ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়িয়ে, দখলদারদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী। বিশেষ করে লোহিত সাগর ও ইসরাইলি বন্দরে তারা তাণ্ডব চালিয়েছে।

এ কারণে আমেরিকা ও দখলদার সেনাদের হামলার শিকার হয় হুতিরা। কিন্তু তাতে মোটেও দমেনি ইস্পাত-দৃঢ় যোদ্ধারা। নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে চলা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে তারা।

 

Play Video

এদিকে গাজায় গণহত্যা বন্ধ করছে না দখলদার ইসরাইল। মানবিক সহায়তার নামে, পবিত্র ভূমির বাসিন্দাদের হত্যায় মেতে উঠেছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সেনারা। আর এরই মধ্যে গাজা উপত্যকায় দেখা দিয়েছে চরম খাদ্য ও মানবিক সংকট।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ