শিরোনাম
পোরশায় ৩২ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবার পেল কোয়ারেন্টানে মারা যাওয়া ছাগল।  পাটগ্রামে শিক্ষকের দাবীতে দ্বিতীয় দিনের মত চলছে দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র -ছাত্রীদের ক্লাস বর্জন আন্দোলন। পোরশায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগ পরীক্ষা পরিদর্শনে ইউএনও রাকিবুল ইসলাম।  শিক্ষক সংকটের কারণে দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র -ছাত্রীদের ক্লাস বর্জন নওগাঁ পুলিশ সুপারের নির্দেশে পোরশায় বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ তৈরির উপকরণ জব্দ ও ধ্বংস, ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা।  লালমনিরহাটেট পাটগ্রামে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিনিয়ত মানুষ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। পোরশায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত পোরশায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ বিএমএসএস’র কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন

চন্দনাইশে মোস্তফা শহিদুল নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ফায়দা নেয়ার অভিযোগ

রিপোটারের নাম / ৫০৮ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হাশিমপুর ফতেহ আলী সিকদার বাড়ির জনৈক মোস্তফা শহিদুল আলম নিজেকে রাঙ্গামাটি সরকরি কলেজের অধ্যাপক পরিচয় দিয়ে ফায়দা লুঠছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অথচ সে কোন কলেজেই চাকরি করে না। উপজেলার উত্তর হাশিমপুর ফতেহ আলী সিকদার বাড়ির মৃত জামাল উদ্দীনের ছেলে মোস্তফা শহিদুল আলম বাদী হয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সি.আর ১১৪/২০২৪ মামলায় নিজেকে কলেজ শিক্ষক পরিচয় দেয়। পরবর্তীতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদনে ডিবি’র তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাইফ উদ্দীন মো. শাওন মোস্তফা শহিদুল আলমকে রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন বলে উল্লেখ করেন। এ ব্যাপারে রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বলেছেন, তিনি ৩ বছর ধরে কলেজে রয়েছেন। কিন্তু এ নামের কেউ কলেজের শিক্ষক নেই। মোস্তফা শহিদুল আলমেকে মুঠোফোনে কল দিলে রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। ছাড়া চন্দনাইশ পৌরসভার গাছবাড়িয়া এলাকার জনৈক মো. জয়নাল আবেদীন মোস্তফা শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে তার ভাই সরকারি উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, তিনি নিজেকে কখনো ডিসি, কখনো ডিবি, কখনো সেনা কর্মকর্তা, কখনো সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন রকম অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগটি চেয়ারম্যান (দুদুক), জেলা প্রশাসক, পরিচালক (দুদুক), জেলা গোয়েন্দা শাখাসহ বিভিন্ন দপ্তরে দেয়া হয়েছে বলে জানা যায়।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ