এইচটি বাংলা ডেস্ক : রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ কেন্দ্রীয় কচিকাঁচা মিলনায়তনে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে পালিত হয়েছে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সংগঠনের প্রস্তাবিত ভাইস-চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোঃ বরকতউল্লাহ খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোঃ রশিদুল হাসান।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত বিভিন্ন কার্যক্রম, অর্জন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি নারী ও শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ভয়েস অব ডেমোক্রেসি (ভিওডি)-এর হেড অব নিউজ এ এইচ এম রেজাউল করিম। তিনি বলেন, নারী ও শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধি, গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকা এবং সামাজিক উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের প্রস্তাবিত ভাইস-চেয়ারম্যান আর এস এম নিজাম উদ্দিন, ফুলের হাসি ফাউন্ডেশন ও গ্রীনলিফ ম্যাগাজিনের সম্পাদক মোঃ তসলিম হাসান হৃদয় এবং বঞ্চিত শিশু অধিকার ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ শাহজাহান।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, সমাজসেবক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা বলেন, নারী ও শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন দীর্ঘ নয় বছর ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সংগঠনটির বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে সমাজসেবা, সাংবাদিকতা, সংস্কৃতি ও মানবাধিকার রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কেটে সংগঠনের উত্তরোত্তর সাফল্য, সমৃদ্ধি ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা পরিবেশিত হয়। বক্তারা নারী ও শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনগুলোর সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, আগামী দিনগুলোতে নারী ও শিশুদের অধিকার সংরক্ষণ, শিক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানবিক সমাজ গঠনে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করা হবে।