শিরোনাম
জোয়ারা খানখানাবাদ নূতন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন চন্দনাইশে মখলেছুর রহমান চৌধুরী-আলতাজ খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরামের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন ও ঈদ পুনর্মিলনী চন্দনাইশ বৈলতলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী মেলা ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বসতভিটা দখল নিয়ে বর্বর হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪ যোগ্য নেতৃত্বের খোঁজে কালিগঞ্জবাসী: পছন্দের শীর্ষে সাংবাদিক শামীম। প্রযুক্তি বনাম নৈতিকতা: এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও নকলমুক্ত আগামীর চ্যালেঞ্জ।। হাম টিকার অভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের দাবি – এডব্লিউসিআরএফ রাশিয়ার ফার্স্ট সেক্রেটারীর সাথে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় পোরশায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে ২৭০টি ছাগল বিতরণ। 
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৭ অপরাহ্ন

চান্দগাঁও থানা পুলিশ কর্তৃক শিশু অপহরনের পর খুন করে লাশ গুম করার অপরাধে দুইজন গ্রেফতার।

রিপোটারের নাম / ৫৬৯ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ মে, ২০২৩

মোঃজহির উদ্দিন বাবর, বিশেষ প্রতিনিধি:

নগরের চান্দগাঁওয়ের পশ্চিম মোহরা এলাকায় ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণের জন্য প্রতিবেশী যুবকের হাতে খুন হয়েছে মো. শফিউল ইসলাম রহিম নামে এক শিশু।হত্যাকাণ্ডের পাঁচ দিন পর বুধবার রাত তিনটার দিকে পার্শ্ববর্তী একটি নির্মাণাধীন বাড়ির রুমের মাটি খুঁড়ে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে।

এলাকাবাসী মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে খুনির ফাঁসি দাবিতে দুপুরে রাস্তায় নেমে পড়েন,এই মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণীর লোক এলাকাবাসী এবং আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত থাকেন এবং খুনি রহিমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন ।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রতিবেশী ওই যুবক ও তার বন্ধুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানিয়েছে, ৫০ হাজার টাকার জন্য শিশুটিকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন— চান্দগাঁও থানার কাপ্তাই সড়কর চাঁন মিয়া ফকিরের বাড়ির মৃত আবুল কালামের ছেলে মো. আজম খান (৩২) ও পাঁচলাইশ থানার বিবিরহাট এলাকার মো. ইউসুফের ছেলে মুজিবুর দৌলা হৃদয় (২৮)। আজম খানকে নগরের হালিশহর এলাকা থেকে এবং তার সহযোগী মুজিবুর দৌলা হৃদয়কে বলীরহাট থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত ২৯ এপ্রিল বিকেলে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় ওই শিশু। শিশুটি ওই এলাকার মো. সেলিম উদ্দিনের ছেলে। সে একটি স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। নিখোঁজের পর ইন্টারনেট ব্যবহার করে ওইদিনই ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি। এ ঘটনায় শিশুর বাবা চান্দগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

পুলিশ আরও জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে অভিযুক্ত প্রতিবেশী আজমকে শনাক্ত করা হয়। ওই দিনই নিখোঁজ শিশু ও আজমকে একসঙ্গে দেখা যায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার (৩ মে) আজমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর জিজ্ঞাসাবাদে আসামি আজম খান শিশু শফিউলকে হত্যার কথা স্বীকার করে। তার দেখানো মতে বুধবার দিবাগত রাতে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে অপহরণ এবং হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতার অভিযোগে আজমের বন্ধু মুজিবুর দৌলা হৃদয় নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে শিশুটির প্রতিবেশী আজম খান ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণের জন্য শিশুটিকে অপহরণ করে এবং ওইদিনই শিশুটিকে নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে হত্যা করে মাটিচাপা দেয়। আজম খান আমাদের কাছে স্বীকার করেছে সে এক মাস আগে থেকে অপহরণের পরিকল্পনা করেছে। শুধু কি টাকার জন্য শিশুটিকে হত্যা করেছে নাকি অন্য কোনো মোটিভ আছে তা জানতে তদন্ত করা হচ্ছে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ