শিরোনাম
শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মাঝে এমআরটি ক্লাবের খেলনা সামগ্রী বিতরণ। পোরশায় উৎসব মুখর পরিবেশে মহান মে দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।  পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ কর্তৃক কুরআন মাজিদ বিতরন আজ ঐতিহাসিক  মহান ‘মে দিবস’ চলতি বছরই ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ‘সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম’ শীর্ষ সম্মেলন জোয়ারা খানখানাবাদ নূতন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন চন্দনাইশে মখলেছুর রহমান চৌধুরী-আলতাজ খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরামের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন ও ঈদ পুনর্মিলনী চন্দনাইশ বৈলতলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী মেলা ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বসতভিটা দখল নিয়ে বর্বর হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৭:১১ অপরাহ্ন

যুদ্ধ বিরতি নিয়ে ট্রাম্পের দাবিকে নাকচ করে দেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর

রিপোটারের নাম / ৭০২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫

 

এইচটি আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দাবি করছেন তিনি ভারত শাসিত কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানকে ‘বাণিজ্য চাপের’ মাধ্যমে যুদ্ধ থেকে সরে আসতে রাজি করিয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত ২৬ জুন হেগ-এ এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, আমি একাধিক ফোনকলের মাধ্যমে বিষয়টি শেষ করেছি। আমি বলেছিলাম, তোমরা যদি লড়াই করতেই চাও, তবে বাণিজ্য হবে না। তখন ওরা বলল, না, আমরা বাণিজ্য করতে চাই।

নিউ ইয়র্কে ‘নিউজউইক’-এর সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে, ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই দাবিকে নাকচ করে দেন।

এস জয়শঙ্কর বলেন, গত ৯ মে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ফোন করেন, সেসময় আসি ওই রুমেই, মোদীর পাশেই ছিলাম। কথোপকথনে যুদ্ধবিরতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে কোনো কথা-ই ওঠেনি।

তিনি বলেন, জেডি ভ্যান্স জানান, পাকিস্তান বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদী ওই হুমকিতে টলেননি। বরং তিনি জানিয়ে দেন, ভারতের পক্ষ থেকে কড়া প্রতিক্রিয়া মিলবে।

জয়শঙ্কর দাবি করেন, ১০ মে তার সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও’র আলোচনা হয়। রুবিও জানান, পাকিস্তান আলোচনার জন্য প্রস্তুত। ওই দিন বিকেলেই পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের নির্দেশে ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস (ডিজিএমও) মেজর জেনারেল কাশিফ আবদুল্লাহ ভারতীয় ডিজিএমও লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘোষকে ফোন করে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানান।

 

এর প্রতিক্রিয়ায় জয়শঙ্কর বলেন, কূটনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের মধ্যে কোনো সংযোগ নেই। দুই ক্ষেত্র স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয়। তার বক্তব্য, ব্যবসায়ীরা তাদের কাজ করে চলেছেন; সংখ্যা, পণ্য নিয়ে আলোচনা করছেন। আমি মনে করি, ব্যবসায়ীরা অত্যন্ত পেশাদার, অবিচল।

 

তিনি বলেন, আমি যা বলছি, তা আমার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলছি। পহেলগামের হামলা কেবল একটি সন্ত্রাসী তৎপরতা ছিল না, বরং অর্থনৈতিক যুদ্ধ ছিল। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল কাশ্মীরের পর্যটনশিল্প ধ্বংস করে দেওয়া, ধর্মীয় উসকানি দেওয়া ও সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানো।

 

সূত্র: এনডিটিভি


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ