শিরোনাম
পোরশা থানা এলাকায় মাইক্রোবাসে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় এক ডাকাত  গ্রেফতার  পোরশায় ভারতীয় ট্যাপেন্টাডাল ট্যাবলেট ও গাজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক দীর্ঘদিনের নীতিগত ব্যর্থতা ও দুর্নীতিকে  উত্তরণ ঘটিয়ে উৎপাদনমুখী ও জনবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব: সাঈদ আল নোমান আরও একটা সাফ জয়ের দারপ্রান্তে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। পেশাদারিত্বের সঙ্গে ধৈর্য্য ধরে আন্দোলন দমনে কাজ করেছে  ডিএমপি।  রাজনীতি আমাদের পেশা নয়, এটা কর্তব্য হিসেবে নিয়েছি : ডা. শফিকুর রহমান মিয়ানমার সীমান্তে ছোড়া গুলিতে আহত টেকনাফের সেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। বিএনপি একক শক্তিতেই সরকার গঠনের মতো অবস্থানে রয়েছে : তারেক রহমান দেশের বাজারে আবারো সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ছাতকে নোয়ারাই ইসলামপুর যুব সমাজকল্যাণ সংস্থা’র নতুন কমিটি গঠন 
শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন

দীর্ঘদিনের নীতিগত ব্যর্থতা ও দুর্নীতিকে  উত্তরণ ঘটিয়ে উৎপাদনমুখী ও জনবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব: সাঈদ আল নোমান

রিপোটারের নাম / ১৫ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

 

এমদাদুল হক, স্টাফ রিপোর্টার : লাগামহীন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব, শিল্পকারখানায় স্থবিরতা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সংকট দেশের অর্থনীতিকে চাপে ফেলেছে। দীর্ঘদিনের নীতিগত ব্যর্থতা, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার ফলে দেশের অর্থনীতি আজ ভঙ্গুর অবস্থায় পৌঁছেছে। এই সংকট থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে একটি স্থিতিশীল, উৎপাদনমুখী ও জনবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তুলতেই ধারাবাহিক সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমান।

 

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) নগরের ৪২ নম্বর সাংগঠনিক ওয়ার্ড বেবীসুপার থেকে শুরু করে মাইজপাড়ায় সহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

 

বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা সামাজিক বৈষম্য আরও গভীর করছে। অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের প্রথম শর্ত হলো সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। রাষ্ট্রীয় অর্থব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা না হলে কোনো পুনরুদ্ধার টেকসই হবে না। একই সঙ্গে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতকে সমান গুরুত্ব দিয়ে উৎপাদন বাড়াতে হবে।

তিনি আরও বলেন, তরুণ জনগোষ্ঠীই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি শিক্ষা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে তরুণদের অর্থনীতির মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে হবে। পাশাপাশি প্রবাসী আয়কে নিরাপদ ও উৎপাদনমুখী বিনিয়োগে রূপান্তরের উদ্যোগ নিতে হবে।

 

ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উদ্যোক্তাবান্ধব নীতি, সহজ ঋণপ্রাপ্তি এবং কর ব্যবস্থায় সংস্কার আনতে হবে।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতকে শক্তিশালী করা গেলে গ্রাম ও শহর—উভয় জায়গায় কর্মসংস্থান বাড়বে এবং অর্থনীতির ভিত মজবুত হবে।

সাঈদ আল নোমান বলেন, একটি জনবান্ধব অর্থনীতি মানে শুধু প্রবৃদ্ধি নয়, বরং ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা। শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য মজুরি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং মৌলিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের অগ্রাধিকার।

সবশেষে তিনি বলেন, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও রাজনৈতিক ঐক্যের মাধ্যমেই ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করে একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ