শিরোনাম
লালমনিরহাটের ৩টি আসনেই ধানের শীষ বিজয়ী। নতুন সরকারের মন্ত্রী হচ্ছেন কারা! তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী। ঐতিহাসিক গণভোটে বড় জয় পেয়েছে সংস্কারপন্থী ‘হ্যাঁ’ পক্ষ । সাতক্ষীরা জেলার নির্বাচনি লড়াইয়ে বড় জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। নতুন সরকারের শপথ পড়াবেন কে? মহেশপুরে প্রেসক্লাব কার্যালয়ে দুর্বৃত্তদের হামলা: ভাঙচুর-লুটপাট তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ ভোটকেন্দ্রে ভোট প্রদান করলেন সেনা প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান প্রথমবারের মতো ভোট দিলেন তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান
রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১০ পূর্বাহ্ন

অবসরে গেছেন চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল ইসলাম ।

রিপোটারের নাম / ৩৮৯ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৪

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক : বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. আশরাফুল ইসলাম অবসরে গেছেন। রবিবার (২০ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে তাকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

 

২০২১ সালের ১৪ জুলাই মো. আশরাফুল ইসলাম বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দেন। তার দায়িত্ব পালনকালে ১৮৪ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ চা উৎপাদনের রেকর্ড হয়েছে। এসময় ১৬৮টি চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে ১০২.৯২ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছিল।

 

চা শিল্পকে টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর উদ্দেশ্যে এবং চা উৎপাদনকারীদের সুরক্ষা প্রদানের নিমিত্তে চায়ের গ্রেডভিত্তিক ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয় তার সময়ে। যার ওপর ভিত্তি করে এখন চা নিলাম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি টি লাইসেন্সিং সিস্টেম চালু করেন।

 

বাংলাদেশের চা শিল্পের মধ্যমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়ন কার্যক্রম চালু করেন।

 

 

চা শিল্পে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে চা চোরাচালান রোধ ও সঠিক তথ্য প্রাপ্তির নিমিত্তে প্রথমবারের মতো টি সফট নামে একটি সফটওয়্যার চালু করা হয়েছে। উক্ত সফটওয়্যার ব্যবহারের ফলে চা চোরাচালান রোধ এবং চা উৎপাদনের সঠিক তথ্য প্রাপ্তি সহজ হয়েছে। পাশাপাশি সকল চা বাগানের তথ্য একই প্লাটফর্মে প্রাপ্তির লক্ষ্যে বাংলাদেশ টি ইন্ডাস্ট্রি শীর্ষক আরো একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করা হয়েছে।

 

 

মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম ১৯৬৮ সালের ২১ অক্টোবর বর্তমান লালমনিরহাট জেলার সদর উপজেলাধীন তিস্তা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি রংপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি ও এইচএসসিতে উত্তীর্ণ হন। তিনি ১৯৮৯ সালের ২২ ডিসেম্বর ২১তম বিএমএ দীর্ঘ মেয়াদি কোর্সে ইঞ্জিনিয়ার্স কোর এ কমিশন লাভ করেন এবং ৫ আরই ব্যাটালিয়ন, পোস্তগোলা সেনানিবাসে যোগদান করেন। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুমাত্রিক কমান্ড, স্টাফ এবং প্রশিক্ষক নিযুক্তিতে অত্যন্ত দক্ষতা ও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ