শিরোনাম
দেশের যুবসমাজকে রাষ্ট্র পুনর্গঠন এবং ডেঙ্গু দমনে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  লালমনিরহাটের পাটগ্রামে বিসমিল্লাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা চন্দনাইশে রাহমাতুল্লিল আলামিন কনফারেন্সে পীরে বাঙ্গাল সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (মা.জি.আ) পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের ফাঁকা গুলি ও নৌকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পোরশা উপজেলায় ডাসকো ফাউন্ডেশনের আয়োজনে,একশন এইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় কমিউনিটির শিশুদের আনন্দ উৎসব। পাটগ্রামে বিজিবির মামলায় ৪ বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ৬ আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে বড় পরিসরে শিশুদের হামের টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী। স্থায়ী সচিব ছাড়াই দুই বছর, ছাতক পৌরসভার সেবা কতটা স্বাভাবিক?
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন

রাশিয়া ও ইউক্রেনের সংঘাত সমাধানে শান্তিচুক্তির জন্য উভয় পক্ষকেই কিছু ভূখণ্ড ছাড় দিতে হবে : মার্কো রুবিও

রিপোটারের নাম / ৯৩২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫

 

এইচটি আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান সংঘাত সমাধানে শান্তিচুক্তির জন্য উভয় পক্ষকেই কিছু ভূখণ্ড ছাড় দিতে হবে। এমনটাই জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

 

তিনি জানান, ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তা গড়ে তুলতে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

 

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে রাশিয়া ও ইউক্রেন— উভয়কেই কিছু ভূখণ্ডগত ছাড় দিতে হবে। তিনি বলেন, “এটা সহজ নয়, হয়তো ন্যায়সংগতও নয়, কিন্তু যুদ্ধ শেষ করতে হলে এমনটিই করতে হবে।”

 

রুবিও গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকেও উপস্থিত ছিলেন।

 

রুবিও জানান, ঠিক কোন সীমারেখা হবে তা নির্ধারণ করবেন পুতিন ও জেলেনস্কি, আর যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা হবে উভয় পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, “আমরা সেখানে সমন্বয় করার জন্য থাকব।”

 

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ইউক্রেনের জন্য একটি নিরাপত্তা নিশ্চয়তা গড়ে তুলতে যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় মিত্রদের পাশাপাশি অ-ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গেও কাজ করছে।

 

তিনি বলেন, “এটা শান্তিচুক্তির পর কার্যকর হতে হবে, যাতে ইউক্রেন ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ বোধ করে।”

 

রুবিওর ভাষায়, অনেক দেশই ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিতে প্রস্তুত। তবে তিনি বলেন, “ইউক্রেনীয়রা আমাদের বলেছেন, তাদের ভবিষ্যতের সবচেয়ে শক্তিশালী নিরাপত্তা নিশ্চয়তা হবে একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়ে তোলা।”


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;