
নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের রাজপথের লড়াকু সৈনিক, দুঃসময়ের কাণ্ডারি "ফয়সাল সিকদার সোহানকে চন্দনাইশ উপজেলা সভাপতি পদের জন্য একটি যৌক্তিক ও জোরালো দাবি!
রাজনীতিতে 'ত্যাগী' শব্দের আসল অর্থ যদি কেউ বুঝতে চায়, তবে তাকে ফয়সাল সিকদার সোহান রাজনৈতিক জীবনের দিকে তাকাতে হবে। পদের লোভে কিংবা সুসময়ের কোকিল হয়ে নয়, বরং দলের চরম দুঃসময়ে যখন অনেকে রাজপথ ছেড়ে ঘরে লুকিয়েছিলেন, তখন চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলকে বুকে আগলে রেখেছিলেন এই লড়াকু নেতা। কেন ফয়সাল সিকদার সোহান চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে যোগ্যতম?
দুঃসময়ের কাণ্ডারি:
বিগত দিনগুলোতে যখনই চন্দনাইশে ছাত্রদলের রাজনীতি কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হয়েছে, তখনই সোহান ভাই বুক চিতিয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। হামলা, মামলা আর শত প্রতিকূলতাও তাকে রাজপথ থেকে এক চুল দমাতে পারেনি।
আন্দোলন-সংগ্রামের অগ্রনায়ক:
চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের প্রতিটি আন্দোলন, সংগ্রাম এবং স্বৈরাচার বিরোধী মিছিলে সোহান ভাইয়ের উপস্থিতি ছিল অবধারিত। তার বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর আর আপসহীন নেতৃত্ব চন্দনাইশের ছাত্র সমাজকে সবসময় উজ্জীবিত করেছে।
তৃণমূলের আস্থা:
তিনি শুধু একজন নেতাই নন, কর্মীদের বিপদে-আপদে ছায়ার মতো পাশে থাকা একজন বড় ভাই। তৃণমূলের সাধারণ কর্মীদের সাথে তার যে আত্মিক যোগাযোগ, তা চন্দনাইশ ছাত্রদলকে আরও বেশি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে অনন্য ভূমিকা রাখবে।
একটি ঐতিহ্যবাহী ছাত্রসংগঠনকে গতিশীল রাখতে হলে যোগ্য, সাহসী এবং মাঠপর্যায়ের ত্যাগী কর্মীদের মূল নেতৃত্বে আনা সময়ের দাবি। চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের ঝিমিয়ে পড়া সাংগঠনিক শক্তিকে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং রাজপথের আন্দোলনকে বেগবান করতে ফয়সাল সিকদার সোহানের কোনো বিকল্প নেই। এমন টাই দাবি করছে সোহানের সমর্থকেরা।
তৃণমূল এর নেতা কর্মীরা বলেন "আমরা বিশ্বাস করি, দলের নীতি নির্ধারকগণ চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের ভবিষ্যৎ এবং দলের প্রতি সোহান ভাইয়ের দীর্ঘদিনের ত্যাগ বিবেচনা করে তাকে "চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি" হিসেবে দায়িত্ব দিয়ে চন্দনাইশের ছাত্র সমাজকে পুরস্কৃত করবেন।"