শিরোনাম
জোয়ারা খানখানাবাদ নূতন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন চন্দনাইশে মখলেছুর রহমান চৌধুরী-আলতাজ খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরামের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন ও ঈদ পুনর্মিলনী চন্দনাইশ বৈলতলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী মেলা ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বসতভিটা দখল নিয়ে বর্বর হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪ যোগ্য নেতৃত্বের খোঁজে কালিগঞ্জবাসী: পছন্দের শীর্ষে সাংবাদিক শামীম। প্রযুক্তি বনাম নৈতিকতা: এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও নকলমুক্ত আগামীর চ্যালেঞ্জ।। হাম টিকার অভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের দাবি – এডব্লিউসিআরএফ রাশিয়ার ফার্স্ট সেক্রেটারীর সাথে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় পোরশায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে ২৭০টি ছাগল বিতরণ। 
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন

গাজায় সবচেয়ে বেশি প্রাণ হারাচ্ছে নারী এবং শিশুরা।

রিপোটারের নাম / ৬১৬ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৪

এইচটি বাংলা ডেস্ক: গাজায় প্রতি ঘণ্টায় দুজন মায়ের মৃত্যু হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংখ্যা। সংখ্যাটির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে সবচেয়ে বেশি প্রাণ হারাচ্ছে নারী এবং শিশুরা। এখন পর্যন্ত সেখানে প্রায় ১৬ হাজার নারী ও শিশু নিহত হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, গাজার সংঘাতে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় দুজন মায়ের মৃত্যু হচ্ছে।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যকার সংঘাত শুরুর পর থেকে গাজায় নিহতদের মধ্যে ৭০ শতাংশই নারী এবং কন্যা শিশু। এছাড়া যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ১০ হাজার শিশু নিজেদের বাবাকে হারিয়েছে। অপরদিকে বাস্তচ্যুতদের মধ্যে ১০ লাখই নারী এবং কন্যা শিশু।

জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা জানিয়েছে, নারী এবং কন্যা শিশুরা নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা এবং আশ্রয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আসন্ন অনাহার এবং দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি হচ্ছে তারা।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এরপরেই গাজায় পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইসরায়েল। তিন মাসের বেশি সময় ধরে গাজায় অভিযানের নামে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের হত্যা করা হচ্ছে।

গাজায় সংঘাত শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ২৪ হাজার ৭৬২ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই নারী এবং শিশু। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ৬২ হাজার ১০৮ জন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ