শিরোনাম
ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া ভেনেজুয়েলাকে সহায়তার দিবে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। চীন বাংলাদেশের অন্যতম ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ : প্রধানমন্ত্রী  ইরান যুদ্ধের কারনে ট্রাম্পের প্রশাসন কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত  ডলারের বাজেট অনুমোদনের আবেদন জানিয়েছে।  বিএসএফ কর্তৃক পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিদের ফেরত নিয়ে যাওয়া। চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে ‘দুঃসময়ের কাণ্ডারি’ ফয়সাল সিকদার সোহানকে চান তৃণমূল কর্মীরা চন্দনাইশের হাশিমপুরে গাউসিয়া কমিটি ১নং ওয়ার্ডের ইউনিট শাখার ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (দ:) মাহফিল চন্দনাইশের সাতবাড়িয়ায় আহলে বাইতে রাসূল (দ:)’র স্মরণে সুলতানে কারবালা মাহফিল ২৫ ও ২৬ জুন ব্রাজিলের জার্সিতে মোহনের শুভকামনা বার্তা চীনা অর্থায়নে পরিকল্পনা, দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু অগ্রাধিকার পাচ্ছে ইরান তেল রপ্তানি করতে না পারলে মধ্যপ্রাচ্য তেল রপ্তানি করতে পারবে না
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রামে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি মুছে ফেলার অভিযোগ এনসিপির, মেয়রের অস্বীকার

রিপোটারের নাম / ১৩৪ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

 

এমদাদুল হক ,স্টাফ রিপোর্টার : চট্টগ্রামে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি মুছে ফেলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর শাখা অভিযোগ করেছে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্দেশে নগরের বিভিন্ন স্থানে আঁকা জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি মুছে ফেলা হচ্ছে। এর প্রতিবাদে রোববার সন্ধ্যায় টাইগার পাস এলাকায় চসিক কার্যালয়ের সামনে ‘জুলাই গ্রাফিতি অঙ্কন’ কর্মসূচি পালন করে দলটি।

এনসিপির নেতা-কর্মীদের দাবি, শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়ালসড়কের পিলারে আঁকা কয়েকটি গ্রাফিতির ওপর সাদা ও হলুদ রং করে দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংক্রান্ত ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর দলটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নির্দেশেই এসব গ্রাফিতি মুছে ফেলা হয়েছে।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সেখানে বিএনপির নেতা-কর্মীরাও জড়ো হন। পরে পুলিশ এসে উভয় পক্ষকে সরিয়ে দেয়।

রাতের দিকে এনসিপি আরও অভিযোগ করে, টাইগার পাস থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত গ্রাফিতি আঁকার সময় ‘মেয়রের লোকজন’ তাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার চেষ্টা চালায়। তাদের দাবি, লালখান বাজার ও সিটি করপোরেশন এলাকার মুখে দেশীয় অস্ত্রসহ একদল লোক অবস্থান নেয়।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। সন্ধ্যায় চসিকের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি অপসারণের কোনো নির্দেশ মেয়রের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি এবং সিটি করপোরেশনের কোনো বিভাগও এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করেনি।

বিজ্ঞপ্তিতে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যসম্মত নগরী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগের অংশ হিসেবে তিনি সবসময় সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে উৎসাহ দিয়ে আসছেন। তিনি আরও বলেন, “কোনো শিল্পকর্ম, শিক্ষামূলক বা সামাজিক সচেতনতামূলক গ্রাফিতি অপসারণের জন্য আলাদা কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি, বিশেষ করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতির ক্ষেত্রে তো নয়ই।

তবে মেয়রের বক্তব্যের পরও সন্ধ্যায় এনসিপির নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং আমবাগান এলাকায় সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের সামনে সড়কে বিভিন্ন স্লোগান লিখে প্রতিবাদ জানান। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন নগর এনসিপির আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ শোয়াইব, সদস্যসচিব আরিফ মঈনুদ্দিন এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব নিজাম উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতারা।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ