শিরোনাম
যোগ্য নেতৃত্বের খোঁজে কালিগঞ্জবাসী: পছন্দের শীর্ষে সাংবাদিক শামীম। প্রযুক্তি বনাম নৈতিকতা: এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও নকলমুক্ত আগামীর চ্যালেঞ্জ।। হাম টিকার অভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের দাবি – এডব্লিউসিআরএফ রাশিয়ার ফার্স্ট সেক্রেটারীর সাথে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় পোরশায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে ২৭০টি ছাগল বিতরণ।  গণমানুষের প্রতিনিধিত্বশীল সাংবাদিকতা পছন্দ করতেন প্রয়াত সাংবাদিক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী চন্দনাইশ প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি জাহাঙ্গীর চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সৈকত দাশ দুই টাকায় স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন লিবিয়ায় চার শতাধিক বাংলাদেশির ওপর নৃশংস নির্যাতনের অভিযোগ — আশরাফ-বাহার ‘মানবপাচার মাফিয়া’ চক্র নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ছাতকে বাসায় অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার মজুত, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ন

চন্দনাইশে মডেল মসজিদ পূর্ব প্রস্তাবিত স্থানে প্রতিষ্ঠার ঘোষণা ধর্ম উপদেষ্টার

রিপোটারের নাম / ৩৮০ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পূর্বে প্রস্তাবিত গাছবাড়িয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজের দক্ষিণ পাশে কক্সবাজার মহাসড়কের পশ্চিমে প্রতিষ্ঠা করতে এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণের দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে পূর্ব প্রস্তাবিত স্থানে প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। গত মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট এম এ হাশেম রাজুর নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দলের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ ঘোষণা দেন। এর আগে গত ৩০ অক্টোবর ধর্ম উপদেষ্টা বরাবরে একই দাবিতে স্মারকলিপি পেশ করা হয়। প্রতিনিধি দলে আরো উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) মো. সাইফুদ্দিন সালাম মিঠু ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার যুগ্ম সমন্বয়ক মো. শওকত নূর। এক প্রতিক্রিয়ায় এম এ হাশেম রাজু বলেন, হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বে মনোরম পরিবেশে মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পূর্বের সরকার, যা অত্যন্ত সার্বজনীন ও যুক্তিসঙ্গত ছিল। গাছবাড়িয়া সরকারি ডিগ্রি (পুরাতন) কলেজের দক্ষিণ গেট এলাকা জনবহুল বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং উপশহর হিসেবে খ্যাত, উপরন্তু এখানে কোন মসজিদ নেই। দ্বিতীয়ত আশেপাশে ব্যাপক মুসলিম অধ্যুষিত জনবহুল এলাকা এবং চট্টগ্রাম- কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে হওয়ায় সড়কে চলাচলরত শত শত গাড়ির যাত্রীসহ যাতায়াতকারীদের জন্য নামাজ আদায়ের একটি সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করবে। কিন্তু একটি অপশক্তি এই মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রকে সরিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল। ধর্ম উপদেষ্টা জনসাধারণের দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করায় আমি চন্দনাইশের সকল স্তরের মানুষের পক্ষ থেকে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তার এই ঘোষণা আমাদের দীর্ঘ ২ মাসের আন্দোলনকে সাফল্যমণ্ডিত করেছে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ