শিরোনাম
পোরশায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ বিএমএসএস’র কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী পোরশায় মেইন সড়ক থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও স্কুল- আ্যান্ড কলেজে যাওয়ার রাস্তা বেহাল,দ্রুত সংস্কারের দাবি। পাটগ্রামে ওয়ারিয়র্স অফ জুলাই ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে মাসব্যাপী আন্ত: বিদ্যালয় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত পাটগ্রামে মৎস্য অধিদপ্তরের অভিযানে নিষিদ্ধ চায়না দোয়ারী জাল জব্দ চট্টগ্রামে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় নতুন মাইলফলক: ৪১ ওয়ার্ড ডিজাস্টার রেসপন্স টিমের সমন্বয় সভা লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ইমামকে হেনস্তার প্রতিবাদে মানববন্ধন চন্দনাইশে বন্যার্তদের খাদ্যদ্রব্য দিতে এসে কানাডা প্রবাসীর পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ চন্দনাইশে বরমা ইউনিয়ন গাউসিয়া কমিটির উদ্যোগে বন্যাকবলিত ৩’শতাধিক পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন গাউসিয়া কমিটির উদ্যোগে বন্যাকবলিত ২’শতাধিক পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন

চুনারুঘাটে পুলিশ কনস্টেবলকে রাজকীয় বিদায় দিলেন ওসি রাশেদুল হক। 

রিপোটারের নাম / ৮৮২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

 

চুনারুঘাট ( হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ অবসরের বিষন্নতা কাটিয়ে সাড়ে ৩৭ বছরের কর্মজীবন শেষে রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা পেলেন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার এক পুলিশ সদস্য। আর এই সংবর্ধনা দিলেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল হক।

শনিবার (২ সেপ্টেম্বর ) বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সুসজ্জিত গাড়িতে করে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার পক্ষ থেকে বশির আহমেদকে নিজ বাড়ি সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলায় পৌঁছে দেওয়া হয়। বেলা ২ টার সময় তিনি গ্রামের বাড়িতে উপস্থিত হয়।

এর আগে সহকর্মীরা ভালবাসার সাথে বিদায় দেন এই পুলিশ কনস্টেবলকে। ওসির এমন উদ্যোগে খুশিতে আত্মহারা হয়ে বিদায় নেয়ার আগ মুহূর্তে পুলিশ কনস্টেবল বশির আহমেদ বলেন, ‘ চাকরিরত যোগদানের আগে প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। কিন্তু বিদায়ের বেলায় তেমন কোনও আনুষ্ঠানিকতা থাকে না। তবে অত্র থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল হক স্যারের এমন উদ্যোগ নিয়ে আমাকে কর্মজীবনের শেষে এক সুখস্মৃতি দিয়েছে। আমরা চাই পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে এভাবেই বিদায় সংবর্ধনা করা হোক। পুলিশের চাকরিতে একজন কনস্টেবলের অবসর সাধারণ ঘটনা। সাধারণত কনস্টেবলদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় দেওয়া হয় না। কিন্তু আমার বেলায় এ ভিন্ন রকম। বিদায় সংবর্ধনাটি জীবনের স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এভাবে আমাকে বিদায় দেওয়া হবে কখনও ভাবিনি।

এ বিষয়ে ওসি রাশেদুল হক বলেন, কর্মজীবনের শেষ বেলাকে রাঙ্গিয়ে তুলতে চেষ্টা করেছি। এই স্মৃতিটুকু বাকী জীবন চলার পথে আনন্দধারা হয়ে কাজ করবে। একজন সহকর্মীকে এমন বিদায় জানাতে পেরে আমি অনেক অনেক আনন্দিত।

আগামিতেও সবার বিদায় বেলায় সুখস্মৃতি হয়ে থাকার মতো এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

উক্ত বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চুনারুঘাট-মাধবপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নির্মলেন্দু চক্রবর্তী। এ ছাড়া থানার অন্যান্য কর্মকর্তা ও বশির আহমেদের স্ত্রী-কন্যাও তার বিদায়ী সংবর্ধনায় উপস্থিত ছিলেন।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ