শিরোনাম
পূর্ণভবা নদীতে নৌকাডুবি: শিশুসহ ১০৯ যাত্রী নিয়ে নৌকাডুবির ঘটনা, সুতি জালের উপকরণের সঙ্গে ধাক্কা।  তালায় মানবতা ফাউন্ডেশনের ২১ সদস্যের কার্যকরী কমিটি গঠন রংপুর ব্যাটালিয়ন- ৫১ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ষাঁড় ও ডিমলায় মাদকসহ আটক ১ যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারধর-শ্বাসরোধের অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তার দক্ষিণ কোরিয়া খাদ্যবর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় পাঁচজনের মৃত্যু। নওগাঁর পোরশায় ১০ কেজি গাজা সহ তিন জন বড় মাদক কারবারী গ্রেফতার।  পোরশায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরের উদ্যোগে ডেঙ্গু কিট হস্তান্তর। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে ১০ লাখ টাকার ভারতীয় ডিসপ্লে আটক করল বিজিবি চট্টগ্রাম বন্দর যানজট নিরসনে সিসিটি ২ নম্বর গেট ১০০ ফুট ভিতরে সরানোর দাবিতে মোহাম্মদ শাহজাহানের প্রতীকী অবস্থান
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ৩০ মে

রিপোটারের নাম / ১৯২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক : মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ৩০ মে শনিবার। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিপথগামী সৈনিকের হাতে তিনি শাহাদাতবরণ করেন। সেই থেকেই তাঁর প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি দিবসটিকে যথাযথ মর্যাদায় শাহাদাতবার্ষিকী হিসেবে পালন করে আসছে। প্রতি বছরই দিবসটি উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, দোয়া–মোনাজাতে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা–কর্মী অংশ নেন। অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা, থাকে কয়েক দিনব্যাপী কর্মসূচি। এবারও দলের প্রতিষ্ঠাতার শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি সারা দেশে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

 

জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলীর বাগবাড়িতে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মনসুর রহমান কলকাতায় প্রধান কেমিস্ট হিসেবে সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত ছিলেন। শৈশব ও কৈশোরের একটি সময় গ্রামে কাটিয়ে জিয়া পিতার সঙ্গে কলকাতায় এবং দেশ বিভাগের পর করাচিতে চলে যান। শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি কাকুলে অফিসার ক্যাডেট হিসেবে ভর্তি হন। ১৯৫৫ সালে তিনি কমিশন লাভ করেন। ১৯৬৫ সালে পাক–ভারত যুদ্ধে খেমকারান সেক্টরে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে একটি কোম্পানির অধিনায়ক হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। তাঁর কোম্পানি যুদ্ধে সবচেয়ে অধিক সাফল্য ও খেতাব লাভ করে। সৈনিক জীবনে তিনি যেমন চরম পেশাদারত্ব দেখিয়েছেন, তেমনি জাতীয় জীবনের সব সংকটে শক্ত হাতে হাল ধরেছেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনী যখন নিরস্ত্র জনতার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মেজর জিয়াউর রহমানই তখন কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;