শিরোনাম
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। গাজীপুর–৩ আসনে ইসলামী ঐক্যজোটের এমপি প্রার্থী মুফতি শামীম সাহেব কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সন্ধ্যাকালীন আড্ডা অনুষ্ঠিত নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ডাক, চট্টগ্রামে সবুজ বাংলার তৃতীয় বর্ষ উদযাপন নগরফুল হলিডে স্কুল পটিয়া শাখায় ১১তম মৌসুমের তৃতীয় ধাপে শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের পরিত্যক্ত গর্তে আটকে থাকা শিশু সাজিদকে উদ্ধারের  কাজ এখনো চলছে। পাটগ্রামে রাস্তার মাঝে গাছ রেখেই  পিচ ঢালাই ও কার্পেটিং , দুর্ঘটনার আশঙ্কা । সেচ্ছাসেবীদের নিয়ে মোস্তফা হাকিম ব্লাড ব্যাংকের হেল্থ চেক-আপ ট্রেনিং ২০২৫ অনুষ্ঠিত। থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তে উত্তেজনা আবারও চরমে উঠেছে। আগামীকাল বেগম খালেদা জিয়াকে নিতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স আসবে।
বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন

বিভিন্ন এলাকা থেকে চাউল সহ টাকা তুলে নিয়ে যাচ্ছে মাধবপুরের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম করে

রিপোটারের নাম / ৪৭৭ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৮ জুন, ২০২৩

 

হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের ফতেহপুরে অবস্থিত হযরত শাহ সোলেমান ফতেহগাজী বাগদাদী রহঃ মাজার শরীফের পূর্ব পাশে গাউসিয়া মন্জিলে পীরজাদা সৈয়দ মোশাহিদুল ইসলাম আল-ক্বাদরী সাহেব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন গাউছিয়া নূরানী ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

মুসলিম শিশুদের ধর্মীয় জ্ঞানার্জনের প্রথম পাঠশালা মক্তব। মক্তব হারিয়ে যাওয়া মানে মুসলিম শিশুদের ধর্মীয় জ্ঞানার্জনের প্রাথমিক ও সহজ পথ বন্ধ হয়ে যাওয়া। তাই গাউসিয়া নূরানী ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করে মক্তব মিশন শুরু করেন পীরজাদা সৈয়দ মোশাহিদুল ইসলাম আল-ক্বাদরী। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশু সহ বয়স্ক ব্যক্তিদের ও সহিসুদ্ধ ভাবে তাজবীদ সহকারে কোরআন শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন।

এ ধর্মীয় পাঠশালা মক্তব মিশন কে ধূলিসাৎ/ সুনাম নষ্ট করতে কে বা কাহারা এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে গ্রামে গ্রামে গিয়ে সহজ সরল মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়ে যাচ্ছে চাউল সহ অনেক মোটা অংকের টাকা ও।

এ বিষয়ে গাউসিয়া নুরানী ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা জানান, তিনি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য কার ও কাছে কোন চাঁদা বা চাউল/ টাকা উত্তোলন করতে পাঠান নাই। কে বা কাহারা এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করার জন্য এসব করছে। তাদের কে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমি আমার নিজ অর্থায়নে প্রায় শত ছাত্র ছাত্রীর জন্য জায়গা নির্ধারণ, হুজুরের থাকা খাওয়া সহ যাবতীয় খরচ বহন করে আসছি। আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হচ্ছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কে আরও বড় পরিসরে নিয়ে আলিয়া মাদ্রাসা খুলবো ইনশাআল্লাহ।

যে কোন এলাকায় যদি গাউসিয়া নূরানী ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে কোন ব্যক্তি চাউল/ টাকা উত্তোলন করতে যায় সাথে সাথে তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার জন্য অনুরোধ জানান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা পীরজাদা সৈয়দ মোশাহিদুল ইসলাম আল-ক্বাদরী।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ