শিরোনাম
কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হবে ‘তৃতীয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা সাংবাদিকতা সম্মেলন’-২০২৬ ঢাকায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালিত হলো এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন। পোরশায় ব্র্যাকের মাইক্রােফাইন্যান্স কর্মসূচির আয়োজনে ২৭০০ টি বিনা মূল্যে গাছের চারা বিতরণ । চন্দনাইশে সম্পত্তি বিরোধ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন, মিথ্যা মামলা ও হয়রানির অভিযোগ চন্দনাইশে হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের আলোচনা সভা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া ভেনেজুয়েলাকে সহায়তার দিবে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। চীন বাংলাদেশের অন্যতম ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ : প্রধানমন্ত্রী  ইরান যুদ্ধের কারনে ট্রাম্পের প্রশাসন কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত  ডলারের বাজেট অনুমোদনের আবেদন জানিয়েছে।  বিএসএফ কর্তৃক পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিদের ফেরত নিয়ে যাওয়া।
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন

কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হবে ‘তৃতীয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা সাংবাদিকতা সম্মেলন’-২০২৬

রিপোটারের নাম / ২৫ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ,ঢাকা :  আগামী ৯ থেকে ১২ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘তৃতীয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা সাংবাদিকতা সম্মেলন ২০২৬’। নেপাল আদিবাসী উপজাতি সাংবাদিক ফেডারেশন (ফোনিজ – FoNIJ)-এর আয়োজনে এবং নেভাঃ (নয়া) জাতীয় সাংবাদিক ফোরাম (Newa National Forum of Journalists)- সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম এর সমন্বয়ে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হচ্ছে।

সম্প্রতি কাঠমান্ডুর নয়াবাজারে আয়োজিত এক প্রস্তুতিমূলক বৈঠকে সম্মেলনের প্রাথমিক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। বৈঠকে ফোনিজের সাধারণ সম্পাদক সমীর বলামী সম্মেলনের বিস্তারিত কার্যপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

 

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের সম্মেলনে বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশের মাতৃভাষায় সাংবাদিকতা করা সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করবেন। বৈশ্বিক স্তরে মাতৃভাষা সাংবাদিকতার বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে এই সম্মেলনে বিশদ আলোচনা হবে।

 

 

চার দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের কর্মসূচিতে থাকছে:

প্যানেল আলোচনা (Panel Discussion) ও কার্যপত্র উপস্থাপন: যেখানে বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন।

 

সাংস্কৃতিক শোভাযাত্রা: অংশগ্রহণকারী দেশ ও নেপালের নিজস্ব সংস্কৃতির এক মেলবন্ধন দেখা যাবে এতে।

 

পর্যটন ও ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ: নেপালের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও পর্যটন কেন্দ্র পরিদর্শনের পাশাপাশি অতিথিদের নেপালের ঐতিহ্যবাহী স্থানীয় খাবারের স্বাদ নেওয়ানো হবে, যা আন্তর্জাতিক স্তরে নেপালি সংস্কৃতির প্রচার-প্রসার ঘটাবে।

 

সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য:

আয়োজকদের মতে, এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য হলো মাতৃভাষা সাংবাদিকতার বিকাশ ঘটিয়ে একে আরও বেশি পেশাদার রূপ দেওয়া। পাশাপাশি সরকারি নীতিতে মাতৃভাষা সাংবাদিকতার গুরুত্ব প্রতিষ্ঠা করা এবং বিশ্বমঞ্চে নেপালের মাতৃভাষা সাংবাদিকতার সাফল্য তুলে ধরা। এর মাধ্যমে ভাষা, লিপি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং সম্পদ সংরক্ষণ ও গবেষণার ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ