শিরোনাম
দুই টাকায় স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন লিবিয়ায় চার শতাধিক বাংলাদেশির ওপর নৃশংস নির্যাতনের অভিযোগ — আশরাফ-বাহার ‘মানবপাচার মাফিয়া’ চক্র নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ছাতকে বাসায় অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার মজুত, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা যুক্তরাজ্যে জন্ম নেওয়া আয়রার জন্য নিজ গ্রামে দোয়া মাহফিল উন্নয়ন ও বাণিজ্য প্রসারে এমপি মিলনের সাথে লাইমস্টোন ব্যবসায়ীদের সাক্ষাৎ সিএসসিআর এর উদ্যোগে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ভাষা শহীদের প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রদ্ধা নিবেদন  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপি থেকে জয়ী প্রার্থীরা। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন: তারেক রহমানকে এডব্লিউসিআরএফ-এর অভিনন্দন লালমনিরহাটের ৩টি আসনেই ধানের শীষ বিজয়ী।
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন

চাঁদপুরের হরিণা ফেরিঘাটে দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত ৭ ।

রিপোটারের নাম / ২৮৮ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক : চাঁদপুরের হরিণা ফেরিঘাট এলাকায় মেঘনা নদীতে থেমে থাকা একটি জাহাজে দুর্বৃত্তদের হামলায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় ৩ জনকে পাওয়া গেছে। আহত ৩ জনের মধ্যে হাসপাতালে নেওয়ার পর দুজন মারা গেছেন। ফলে ওই জাহাজে থাকা মোট ৭ জনের মৃত্যু হলো।

সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে চাঁদপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার আনিসুর রহমান আরও দুজনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছেন।

 

এ দিকে চাঁদপুর নৌ-পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, এমভি আল-বাখেরা নামের জাহাজটিতে দুর্বৃত্তদের হামলার এ ঘটনা ঘটে। জাহাজটি নোঙর করা অবস্থায় ছিল। হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য এবং হতাহতদের মধ্যে একজন ছাড়া বাকিদের নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

 

জাহাজ থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে বিকেল ৪টার দিকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে দুজনকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর জনের নাম জুয়েল (২৮)। তার বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

 

এ বিষয়ে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আনিসুল ইসলাম বলেন, আহত অবস্থায় তিনজনকে আনা হয়। দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে।

 

নৌপুলিশের চাঁদপুরের অঞ্চলের পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, পণ্যবাহী নৌযানটিতে থাকা ব্যক্তিদের দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। আমরা সন্দেহ করছি, শত্রুতা থেকে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে আমরা বিকেল তিনটার দিকে নৌযানটির কাছে যাই। সেখানে গিয়ে নৌযানের পাঁচটি কক্ষে পাঁচটি মরদেহ পাই। বাকি তিনজনকে গুরুতর জখম অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে হাসপাতালে দুজনের মৃত্যু হয়।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ