শিরোনাম
চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে ‘দুঃসময়ের কাণ্ডারি’ ফয়সাল সিকদার সোহানকে চান তৃণমূল কর্মীরা চন্দনাইশের হাশিমপুরে গাউসিয়া কমিটি ১নং ওয়ার্ডের ইউনিট শাখার ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (দ:) মাহফিল চন্দনাইশের সাতবাড়িয়ায় আহলে বাইতে রাসূল (দ:)’র স্মরণে সুলতানে কারবালা মাহফিল ২৫ ও ২৬ জুন ব্রাজিলের জার্সিতে মোহনের শুভকামনা বার্তা চীনা অর্থায়নে পরিকল্পনা, দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু অগ্রাধিকার পাচ্ছে ইরান তেল রপ্তানি করতে না পারলে মধ্যপ্রাচ্য তেল রপ্তানি করতে পারবে না পাটগ্রাম সীমান্তে আবারও পুশ ইনের চেষ্টা বিএসএফের :সতর্ক অবস্থানে বিজিবি পাটগ্রাম সীমান্তে ১০ জনকে পুশ ইন বিএসএফ এর, রুখে দিয়েছে বিজিবি-জনতা  যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর ইসরাইল নজরদারি চালাচ্ছে আশঙ্কা  ওয়াশিংটনের পাটগ্রাম পৌর আমির সোহেল রানাকে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর প্রতিবাদে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন

চোরের দাপটে কাঁপছে মনোহরদী — ৪৮ ঘণ্টায় ১১ গরু লাপাত্তা

রিপোটারের নাম / ৩৬২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৪ মে, ২০২৫

 

আব্দুল মাবুদ মোহাম্মদ ইউসুফ, মনোহরদী, নরসিংদী :  নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার চন্দনবাড়ী ইউনিয়নের মইষাকান্দী গ্রামে দুই রাতের ব্যবধানে সংঘবদ্ধ চোরচক্রের হাতে ১১টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। এই চুরি শুধু খামারিদের অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, বরং গোটা গ্রামের শান্তিপূর্ণ জীবনযাত্রায় নেমে এসেছে আতঙ্কের ছায়া।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৩০ এপ্রিল বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে মইষাকান্দী গ্রামে একযোগে কয়েকটি বাড়িতে হানা দেয় চোরের দল। তারা নিঃশব্দে চুরি করে নিয়ে যায় মোট ৭টি গরু।

 

চুরি হওয়া গরুর মালিকরা হলেন— সেলিম মিয়া – ১টি , আবু বকর সিদ্দিক – ১টি , হারুনর রশিদ – ১টি , সাহিদ মিয়া – ২টি , আব্দুর রশিদ – ২টি ।

প্রত্যেকের বাড়ি একই ইউনিয়নের মইষাকান্দী গ্রামে। গরুগুলো বিভিন্ন জাতের এবং অধিকাংশই গৃহপালিতভাবে লালন-পালন করা হচ্ছিলো।

 

এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ৩ মে শনিবার দিবাগত রাতেও একই গ্রামের পশ্চিম পাড়ায় ফের গরু চুরির চেষ্টা চালায় চোরচক্র। এবার তারা ৪টি গরু নিয়ে পালানোর সময় এলাকাবাসীর তৎপরতায় ধরা পড়ে যায়। গ্রামবাসীর প্রতিরোধে চোরেরা গরুগুলো ফেলে রেখে পালাতে বাধ্য হয়। তবে পূর্বের চুরিকৃত গরুগুলোর এখনো কোনো সন্ধান মেলেনি।

 

এলাকাবাসী জানান, মইষাকান্দী, মহিষাকান্দী, লাখপুর, চন্দনপুরসহ আশপাশের গ্রামের অধিকাংশ মানুষ কৃষি নির্ভর। কৃষিকাজের পাশাপাশি গবাদি পশু পালন করেই চলে তাদের জীবিকা। গরু চুরি হওয়ায় এসব পরিবারে নেমে এসেছে চরম দুর্দশা। অনেকেই কৃষিঋণ ও ধার-দেনায় গরু কিনে খামার গড়ে তুলেছিলেন। এখন তারা চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন।

 

নোয়াকান্দী হাজী আলীম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক হাফেজ মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন,

“শুধু গরুই নয়, সম্প্রতি এলাকায় টিউবওয়েল, মোটর, কলাগাছ, এমনকি মসজিদের মাইক ও ব্যাটারি পর্যন্ত চুরি হচ্ছে। পুরো ইউনিয়ন এখন এক প্রকার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। প্রশাসনের উচিত দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া এবং গ্রামে টহল জোরদার করা।”

 

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক মাসে চুরির প্রবণতা বেড়ে গেছে। তবে চোরদের শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করতে পারেনি প্রশাসন। এতে ক্ষোভ বিরাজ করছে জনমনে।

 

এলাকাবাসীর জোর দাবি, দ্রুত চোরচক্রকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে নিয়মিত পুলিশি টহল ও রাত্রিকালীন পাহারা জোরদার করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে এমন কোনো দুর্বিপাকের শিকার না হন নিরীহ কৃষক ও খামারিরা।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ