শিরোনাম
আজ  বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আগামী ১৬ মে চাঁদপুর সফরে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্রুততম সময়ে ঢাকার সঙ্গে সিলেটের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের কাজ শুরু করা হবে : প্রধানমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সংঘাত ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে : ডোনাল্ড ট্রাম্প  হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মাঝে এমআরটি ক্লাবের খেলনা সামগ্রী বিতরণ। পোরশায় উৎসব মুখর পরিবেশে মহান মে দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।  পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ কর্তৃক কুরআন মাজিদ বিতরন আজ ঐতিহাসিক  মহান ‘মে দিবস’ চলতি বছরই ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ‘সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম’ শীর্ষ সম্মেলন
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৩:১৩ অপরাহ্ন

চোরের দাপটে কাঁপছে মনোহরদী — ৪৮ ঘণ্টায় ১১ গরু লাপাত্তা

রিপোটারের নাম / ৩৩৪ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৪ মে, ২০২৫

 

আব্দুল মাবুদ মোহাম্মদ ইউসুফ, মনোহরদী, নরসিংদী :  নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার চন্দনবাড়ী ইউনিয়নের মইষাকান্দী গ্রামে দুই রাতের ব্যবধানে সংঘবদ্ধ চোরচক্রের হাতে ১১টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। এই চুরি শুধু খামারিদের অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, বরং গোটা গ্রামের শান্তিপূর্ণ জীবনযাত্রায় নেমে এসেছে আতঙ্কের ছায়া।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৩০ এপ্রিল বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে মইষাকান্দী গ্রামে একযোগে কয়েকটি বাড়িতে হানা দেয় চোরের দল। তারা নিঃশব্দে চুরি করে নিয়ে যায় মোট ৭টি গরু।

 

চুরি হওয়া গরুর মালিকরা হলেন— সেলিম মিয়া – ১টি , আবু বকর সিদ্দিক – ১টি , হারুনর রশিদ – ১টি , সাহিদ মিয়া – ২টি , আব্দুর রশিদ – ২টি ।

প্রত্যেকের বাড়ি একই ইউনিয়নের মইষাকান্দী গ্রামে। গরুগুলো বিভিন্ন জাতের এবং অধিকাংশই গৃহপালিতভাবে লালন-পালন করা হচ্ছিলো।

 

এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ৩ মে শনিবার দিবাগত রাতেও একই গ্রামের পশ্চিম পাড়ায় ফের গরু চুরির চেষ্টা চালায় চোরচক্র। এবার তারা ৪টি গরু নিয়ে পালানোর সময় এলাকাবাসীর তৎপরতায় ধরা পড়ে যায়। গ্রামবাসীর প্রতিরোধে চোরেরা গরুগুলো ফেলে রেখে পালাতে বাধ্য হয়। তবে পূর্বের চুরিকৃত গরুগুলোর এখনো কোনো সন্ধান মেলেনি।

 

এলাকাবাসী জানান, মইষাকান্দী, মহিষাকান্দী, লাখপুর, চন্দনপুরসহ আশপাশের গ্রামের অধিকাংশ মানুষ কৃষি নির্ভর। কৃষিকাজের পাশাপাশি গবাদি পশু পালন করেই চলে তাদের জীবিকা। গরু চুরি হওয়ায় এসব পরিবারে নেমে এসেছে চরম দুর্দশা। অনেকেই কৃষিঋণ ও ধার-দেনায় গরু কিনে খামার গড়ে তুলেছিলেন। এখন তারা চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন।

 

নোয়াকান্দী হাজী আলীম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক হাফেজ মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন,

“শুধু গরুই নয়, সম্প্রতি এলাকায় টিউবওয়েল, মোটর, কলাগাছ, এমনকি মসজিদের মাইক ও ব্যাটারি পর্যন্ত চুরি হচ্ছে। পুরো ইউনিয়ন এখন এক প্রকার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। প্রশাসনের উচিত দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া এবং গ্রামে টহল জোরদার করা।”

 

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক মাসে চুরির প্রবণতা বেড়ে গেছে। তবে চোরদের শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করতে পারেনি প্রশাসন। এতে ক্ষোভ বিরাজ করছে জনমনে।

 

এলাকাবাসীর জোর দাবি, দ্রুত চোরচক্রকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে নিয়মিত পুলিশি টহল ও রাত্রিকালীন পাহারা জোরদার করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে এমন কোনো দুর্বিপাকের শিকার না হন নিরীহ কৃষক ও খামারিরা।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ