শিরোনাম
দুই টাকায় স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন লিবিয়ায় চার শতাধিক বাংলাদেশির ওপর নৃশংস নির্যাতনের অভিযোগ — আশরাফ-বাহার ‘মানবপাচার মাফিয়া’ চক্র নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ছাতকে বাসায় অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার মজুত, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা যুক্তরাজ্যে জন্ম নেওয়া আয়রার জন্য নিজ গ্রামে দোয়া মাহফিল উন্নয়ন ও বাণিজ্য প্রসারে এমপি মিলনের সাথে লাইমস্টোন ব্যবসায়ীদের সাক্ষাৎ সিএসসিআর এর উদ্যোগে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ভাষা শহীদের প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রদ্ধা নিবেদন  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপি থেকে জয়ী প্রার্থীরা। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন: তারেক রহমানকে এডব্লিউসিআরএফ-এর অভিনন্দন লালমনিরহাটের ৩টি আসনেই ধানের শীষ বিজয়ী।
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন

বঙ্গবন্ধুর দৃঢ় মনোভাবের কারণে পাকিস্তানি শাসকরা মারাত্মক সমীহ করত : জয়

রিপোটারের নাম / ৫৫২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৩

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, বঙ্গবন্ধু এমন একজন মানুষ ছিলেন, যিনি লক্ষ্য পূরণে খুব ধীর-স্থির ও চৌকস ছিলেন। এই মানুষটির দৃঢ় মনোভাবের কারণে পাকিস্তানি শাসকরা পর্যন্ত তাঁকে মারাত্মক সমীহ করত। ২৪ ঘণ্টা গোয়েন্দা নজরদারির মধ্যে থেকেও তিনি বাঙালির মুক্তির সনদ ছয়দফা বাস্তবায়নে সারাদেশে জনমত সৃষ্টি করতে পেরেছিলেন।

মঙ্গলবার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে সজীব ওয়াজেদ জয় এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতেও পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সদস্যরা হামলা করেছিল ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বাসায়। সেদিনও বীরদর্পে তাদের সামনে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘স্টপ শ্যুটিং’! পাকিস্তানিরা ভড়কে গিয়েছিল সেই মহান নেতার ব্যক্তিত্বের কাছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ৭১-এর ডিসেম্বরে বিজয় অর্জনের পর বঙ্গবন্ধু মাত্র সাড়ে তিন বছরে বাংলাদেশকে আবারো গড়ে তুলেছিলেন। একদিকে প্রায় শূন্য ব্যাংক রিজার্ভ, অন্যদিকে ভাঙাচোরা রাস্তা-ব্রিজ-কালভার্ট-বাড়িঘর।

তিনি বলেন, সেই পরিস্থিতিতে তরুণ ও মুক্তিযোদ্ধাদের কাজে লাগিয়ে বঙ্গবন্ধু সবকিছু পুনর্গঠিত করেছিলেন। চালু করে ফেলেছিলেন কলকারখানাগুলো। আন্তর্জাতিক মহলের প্রায় সব বড় ফোরামে নতুন রাষ্ট্রকে যুক্ত করেছিলেন তিনি। জাতিসংঘ, ওআইসি, কমনওয়েলথ সবাই বাংলাদেশকে সাদরে গ্রহণ করেছিল এই মহান নেতার ক্যারিশমায়।

জয় লিখেছেন, তিনি যখনই সব প্রতিকূল পরিবেশ অতিক্রম করে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন, দেশের প্রবৃদ্ধির হার তখন ১১ শতাংশের এর ওপরে, ঠিক তখনই পুরনো শত্রুরা এক হলো। প্রতিশোধ নিতে চাইল ১৯৭১-এর পরাজয়ের। ৭১-এর পরাজিত দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শক্তি ঘাতকদের সাহস দিল, পালানোর পথ করে দিল, বাংলাদেশ স্বৈরাচারের কবলে পতিত হলো। জাতির পিতার মৃত্যুর পর ধ্বংস হয়ে গেল অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন। শুধু জনরোষের ভয়েই দেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে কট্টর ইসলামিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে পারল না উগ্রবাদীরা।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট, সেই ৩২ নম্বরের বাড়িতে ভোরের আজানের কিছু আগেই হামলা করেছিল বর্বর ঘাতকরা। বাংলার স্বাধীনতার অন্যতম প্রতীক ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর ভেসে গেলো রক্তে। বাংলার মানুষকে ভালোবাসার নির্মম প্রতিদান দিলো বেঈমান মোশতাক-জিয়া এবং দলছুট মেজরদের খুনি চক্র।

সবশেষে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ