শিরোনাম
জোয়ারা খানখানাবাদ নূতন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন চন্দনাইশে মখলেছুর রহমান চৌধুরী-আলতাজ খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরামের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন ও ঈদ পুনর্মিলনী চন্দনাইশ বৈলতলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী মেলা ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বসতভিটা দখল নিয়ে বর্বর হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪ যোগ্য নেতৃত্বের খোঁজে কালিগঞ্জবাসী: পছন্দের শীর্ষে সাংবাদিক শামীম। প্রযুক্তি বনাম নৈতিকতা: এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও নকলমুক্ত আগামীর চ্যালেঞ্জ।। হাম টিকার অভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের দাবি – এডব্লিউসিআরএফ রাশিয়ার ফার্স্ট সেক্রেটারীর সাথে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় পোরশায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে ২৭০টি ছাগল বিতরণ। 
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন

মহেশপুরে ভারী বর্ষায় রাস্তা ঘাটের বেহাল দশা, পানির নিচে তলিয়ে গেছে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো।

রিপোটারের নাম / ৪৭২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫

 

এসআর সোহেল , ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : মহেশপুরের বিভিন্ন অঞ্চলের সাধারণ মানুষের চলাচলের রাস্তা গুলো বেহাল দশা। ভারী বর্ষায় সেই রাস্তাগুলো কৃষক ও সাধারণ মানুষের জন্য মরণ ফাতে তৈরি হয়েছে। এক দিকেনঅতি বৃষ্টিতে খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষের আয়ের উৎসগুলো বন্ধ হচ্ছে অন্যদিকে কৃষি আবাদ ও চলাচলের জন্য রাস্তাঘাট গুলোও পানির নিচে। এমতাবস্থায় কৃষকদের কৃষি আবাদ রাস্তার জন্য নিয়ে আসাও সমস্যার মধ্যে আছে। মহেশপুর উপজেলার কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখা যায় রাস্তার দুর্দশা।

মহেশপুর উপজেলার জাগুসা গ্রামের জাগুসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাস হইতে হাবাসপুর অভিমুকে আধা কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বিনা সংস্কারে পড়ে আছে। দুই গ্রামের কৃষকের সকল আবাদ এই একমাত্র রাস্তাটি অবলম্বন। সেই রাস্তাটি গত একমাস যাবত পানির নিচে পড়ে আছে। প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার লোকের চলাচল এই রাস্তায়। সেই রাস্তাটি এখন মানুষের মরন ফাঁদে পরিণত হয়েছে।

নাটিমা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোঃ সোহেল রানার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, এই রাস্তাটি এলজিইআরডির অধীনস্থ। রাস্তাটির সংস্কার করতে প্রায় কোটি টাকার বাজেট প্রয়োজন দুই পাশে পুকুর থাকায় কয়েকটি মিনি কালভার্ট ও রাস্তা দুই ধারে প্যালাসাইডিং দিয়ে রাস্তাটি তৈরি করতে হবে যা আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সম্ভব নয়। আমরা ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ হতে ও স্থানীয় মানুষের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করে গতবছরে প্রায় এক লক্ষ টাকার ইটের আদলা দেওয়া হয়েছিল কিন্তু এবার ভারী বর্ষায় রাস্তাটি পানির নিচে চলে চলে গেছে। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ইউএনও মহোদয়কে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি আমার ওয়ার্ডের সাধারণ কৃষক ও মানুষের এবং পার্শ্ববর্তী ওয়ার্ড এর মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য।

স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও কৃষকেরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি দেখার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ