এইচটি বাংলা ডেস্ক : রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম ফের শুনানি হবে আপিল বিভাগে। একইসঙ্গে এ বিষয়ে আপিল শুনানির জন্য আগামী ৪ নভেম্বর নির্ধারণ করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে ৬ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে, আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে করা রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষে, গত ৩০ জুলাই প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের আপিল বিভাগ রায়ের জন্য ৬ আগস্ট তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন। তবে পরে বুধবার (৬ আগস্ট) সর্বোচ্চ আদালত রায়ের জন্য এক দিন পিছিয়ে ৭ আগস্ট নির্ধারণ করেন।
রিভিউ শুনানিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার সালাহ উদ্দিন দোলন। বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে রিভিউ আবেদনের শুনানি করেন ব্যারিস্টার নিহাদ কবির ও অ্যাডভোকেট প্রবীর নিয়োগী।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম এবং ব্যারিস্টার এম. আবদুল কাইয়ূম। এ ছাড়া ইন্টারভেনর হিসেবে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল)।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ‘রুলস অব বিজনেস’-এর আওতায় ১৯৮৬ সালে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স (পদমর্যাদাক্রম) তৈরি করে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে ওই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর তা জারি করা হয়। পরবর্তী সময় এতে সংশোধন আনা হয়। তবে, এই ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সে সাংবিধানিক পদ এবং সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত ও সংজ্ঞায়িত বিভিন্ন পদ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নিচে রাখা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে ২০০৬ সালে হাইকোর্টে রিট করেন বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের তৎকালীন মহাসচিব মো. আতাউর রহমান।
২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট আট দফা নির্দেশনাসহ ১৯৮৬ সালের (সংশোধিত) ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সকে অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ২০১১ সালে আপিল করে। সে আপিলের শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি রায় দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
ওই মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া আট দফা নির্দেশনার কিছু অংশ সংশোধন করে আপিল বিভাগ তিনটি মূল নির্দেশনা প্রদান করে। সেগুলো হলো— ১. যেহেতু সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন, তাই ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সে কোনো বিরোধ দেখা দিলে সাংবিধানিক পদধারীরাই অগ্রাধিকার পাবেন; ২. বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে জেলা ও সমমানের জজগণ সরকারে সচিবদের সঙ্গে একই পদমর্যাদায়, অর্থাৎ ১৬ নম্বরে অবস্থান করবেন; ৩. জেলা জজদের পরবর্তী ক্রমিকে, অর্থাৎ ১৭ নম্বরে, অবস্থান করবেন অতিরিক্ত সচিবরা।
একপর্যায়ে আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। পরে রিভিউ আবেদনে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরাও পক্ষভুক্ত হন।
Enter your key to unlock the system.
Don't have a key? Pay and submit the form below.
Order Submitted Successfully! We will contact you soon.
Enter your key to unlock the system.
Don't have a key? Pay and submit the form below.
Order Submitted Successfully! We will contact you soon.