শিরোনাম
পোরশায় মাদকবিরোধী অভিযানে স্থানীয় জনগনের সহায়তায় ০৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ও ৩২ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ পোরশায় উৎসব মুখর পরিবেশে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত মোস্তফা হাকিম ব্লাড ব্যাংকের নতুন সেচ্ছাসেবী সদস্যদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন ও মোটিভেশনাল সেমিনার অনুষ্ঠিত সিলেটে সুজন মিয়া গ্রেপ্তার, বালুমহাল নিয়ে আগেও সংবাদ প্রকাশ সাংবাদিক জয়নালকে সাইবার সুরাক্ষা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রশ্নের মুখে সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরাম বাংলাদেশের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত সার্ক এডুকেশন কনক্লেভ অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিতে ভারত যাচ্ছেন এসজেএফ সেক্রেটারি জেনারেল মোঃ আবদুর রহমান।। দুর্গাপূজায় যানজট নিরসনে ঘাম ঝরাচ্ছেন টিআই-সার্জেন্টসহ ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বিজিবি কর্তৃক মাদক দ্রব্য হেরোইন উদ্ধার।  তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নেদারল্যান্ডস
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৬০৬ হত্যা মামলা হয়েছে, কোনোটিরই তদন্ত শেষ করতে পারেনি পুলিশ

রিপোটারের নাম / ৪৬৬ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক : জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার। পরে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর গণহত্যার দায়ে হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানা ও আদালতে এখন পর্যন্ত ৬০৬ হত্যা মামলা হয়েছে। এসব মামলার এজাহারে শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

মামলাগুলোর মধ্যে ঢাকার ৫০টি থানায় মোট ৩৮৮টি মামলা দায়ের হয়। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলা হয় যাত্রাবাড়ি থানায় ১১২টি। মোহাম্মদপুর থানায় ১৩টি, মিরপুর থানায় ১৬টি, ধানমন্ডি থানায় ৯টি, শাহবাগ থানায় ৮টি, ওয়ারি থানায় পাঁচটি, চকবাজার থানায় ৬টি, উত্তরা পশ্চিম থানায় ১২টি ও উত্তরা পূর্ব থানায় ৮টি মামলা হয়েছে।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ২৪টি, রাজশাহী বিভাগে ১২টি, খুলনা বিভাগে ৯টি, ময়মনসিংহে ৮টি, রংপুরে ৭টি, সিলেটে পাঁচটি ও বরিশালে ৬টি মামলা দায়ের হয়।

‘হাইকোর্টের রায়ে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল ইতিহাসে এটাই প্রথম’

তথ্যমতে, ইউনূস সরকারের আট মাস পেরিয়ে গেলেও ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা এসব হত্যা মামলার কোনোটিরই তদন্ত শেষ করতে পারেনি পুলিশ। যদিও এটিকে তদন্তের ধীরগতি বলতে নারাজ পুলিশ।

ডিএমপির মুখপাত্র তালেবুর রহমান জানান, কয়েকটি মামলার কাজ অনেকটা এগিয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

 

আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী সারা হোসেন মনে করেন, মামলাগুলো দেখভালের জন্য নির্দিষ্ট কাউকে দায়িত্ব দেওয়া উচিৎ। এর যৌক্তিক সুরাহা হওয়া দরকার।

 

তিনি বলেন, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া কতদূর এবং মামলাগুলোর শেষ পরিণতি কী হবে- এটা নিয়ে ধারণা পওয়া গেলে মানুষ তদন্তের বিষয়ে বুঝতে পারত। সার্বিকভাবে মামলাগুলোর বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করা উচিৎ।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;