শিরোনাম
জোয়ারা খানখানাবাদ নূতন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন চন্দনাইশে মখলেছুর রহমান চৌধুরী-আলতাজ খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরামের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন ও ঈদ পুনর্মিলনী চন্দনাইশ বৈলতলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী মেলা ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বসতভিটা দখল নিয়ে বর্বর হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪ যোগ্য নেতৃত্বের খোঁজে কালিগঞ্জবাসী: পছন্দের শীর্ষে সাংবাদিক শামীম। প্রযুক্তি বনাম নৈতিকতা: এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও নকলমুক্ত আগামীর চ্যালেঞ্জ।। হাম টিকার অভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের দাবি – এডব্লিউসিআরএফ রাশিয়ার ফার্স্ট সেক্রেটারীর সাথে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় পোরশায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে ২৭০টি ছাগল বিতরণ। 
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন

চন্দনাইশে সাংবাদিক মিয়াজীকে মারধর করে থানায় অভিযোগ দেয়া মহিলাটি কে ?

রিপোটারের নাম / ১১১১ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চন্দনাইশে কর্মরত সাংবাদিক আয়ুব মিয়াজী (৩২) কে সন্ত্রাসীরা গত ৪ এপ্রিল দুপুরে তার নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মিয়াজী কম্পিউটার সেন্টারে হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য ২য় তলা থেকে নিচে ছুড়ে ফেলে দেয়। একইদিন সন্ধ্যায় সাংবাদিক আয়ুব মিয়াজীকে আসামী করে চন্দনাইশ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন জনৈক রোজিনা। কে এই রোজিনা ? কার ইন্দনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। দিন দুপুরে একজন গণমাধ্যম কর্মীকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মারধর করে ২য় তলা থেকে নিচে ফেলে দেয়া হয়। সে বর্তমানে মুমুর্ষ অবস্থায় চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আয়ুব মিয়াজীকে আহত অবস্থায় দোহাজারী ৩১শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নেয়ার পর তাকে আংশকা জনক অবস্থায় চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। তার পিতা আবদুস শুক্কুর চিকিৎসা শেষে থানায় মামলা করতে গেলে জানতে পারেন জনৈক রোজিনা বেগম আয়ুবকে আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এদিকে সাংবাদিক মিয়াজীকে মারধর করার সিসিটিভি ফুটেজ স্থানীয় থানা কর্তৃপক্ষকে দেয়া হয়, ঘটনার ৫ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজের ব্যক্তি ও এজাহার নামীয় আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি বলে অভিযোগ বাদী আবদুস শুক্করের। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, রোজিনা বেগম অভিযোগ পত্রে যে আইডি নাম্বার ব্যবহার করেছেন সেটি দোহাজারী বার্মা কলোনির আলী মিয়ার মেয়ে রৌশন আরা বেগমের। এ ব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বলেছেন, তার নিজের আইডি কার্ড না থাকায় খালাত বোনের আইডি কার্ড দিয়ে অভিযোগ দিয়েছেন। রওশন আরা জানান, রোজিনা তার কোন আত্মীয় নয়। সে শ্রমিক মানিকের স্ত্রী। মানিকের বাসা খোঁজ করতে দোহাজারী ব্রীজের দক্ষিণ পাশে কলোনীতে গিয়ে জানতে পারা যায় মানিকের স্ত্রী রোজিনা দোহাজারী উল্লা পাড়াস্থ জাগিরের বাসা ভাড়াতে বসবাস করে। সেখানে গিয়ে তার শ্বাশুড়ি ও ৫ সন্তানসহ রোজিনাকে পাওয়া যায়। মামলার বিষয়ে এবং আয়ুব মিয়ার সাথে তার কিসের সম্পর্ক জানতে চাইলে তিনি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে থাকেন। রোজিনার শ্বাশুড়ি জানালেন তার ছেলে মানিক একটি চুরির মামলায় এক মাস ধরে জেল হাজতে রয়েছে। তার আগের ঘরের ৩টি মেয়ে, বর্তমান রোজিনার ঘরে ২টি মেয়েসহ তারা অতিকষ্টে জীবন যাপন করছে। তাদের বাড়ী খুলনা বাগেরহাট। দীর্ঘদিন যাবৎ মানিক এখানে শ্রমিক হিসেবে বসবাস করে এবং রোজিনার সাথে বিয়ে হয়। রোজিনা অভিযোগে তার নিজ বাড়ী কক্সবাজার সদরে এবং বর্তমানে খাগরিয়া নুরু মার্কেট বাচার কলোনী ভাড়াটিয়া হিসেবে দেখালেও সেখানে তার কোন বাসাভাড়া পাওয়া যায়নি। সে থাকে উল্লা পাড়াস্থ জাগিরের বাসা ভাড়ায় থাকে। রোজিনার সাথে কথা বললে তিনি তার কাছে কেন গেছেন ? জানতে চাইলে শুধু বলেছেন তার কাছে টাকা পাব, টাকার জন্য গেছি, সম্প্রতি ডিএফ বাংলা ই্উটিউব প্রকাশিত ভিডিওকে কে বা কারা কিভাবে ধারণ এবং প্রচার করেছে তা তিনি জানেন না বলে জানান, শুধু বলছেন তিনি কে কি করেছেন এবং তাকে দিয়ে কারা করিয়েছেন তা সময় হলে বলবেন। গত ৫ এপ্রিল রাতে রোজিনা বাসায় সাংবাদিকেরা যাওয়ার পর থেকে তাকে আর পাওয়া যাচেছ না। স্থানীয়রা জানালেন রোজিনা একজন রোহিঙ্গা নাগরিক। থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন রোজিনার অভিযোগ পেলেও এজাহার হিসেবে গণ্য না করে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানান। কে এই রোজিনা ? তাকে কারা জজ মিয়া বানিয়ে সাংবাদিক আয়ুব মিয়াজীকে হামলা করে, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পূর্বে থানায় অভিযোগ পাঠিয়েছেন তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন পুলিশ প্রশাসনের নিকট। স্থানীয় ব্যবসায়ী আজিমুল ইসলাম জানান, আয়ুব মিয়াজী একজন গণমাধ্যমকর্মী, সে পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে অনেক সংবাদ প্রচার করেছেন। তাকে ঐদিন সন্ত্রাসীরা মারধর করে মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য ২য় তলা থেকে নিচে ফেলে দেয়। যারা হামলা করেছে তাদেরকে চিনলেও নাম বলতে পারবে না, নাম বললে তাকেও রাতে মেরে ফেলবে। ইতিমধ্যে অভিযোগকারী রোজিনার মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার মোবাইল বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করার সম্ভব হয়নি। আয়ুব মিয়াজী জানালেন, গত বছর দোহাজারী পৌরসভার অনিয়ম নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দেয়ার পর তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও দোহাজারী পৌর প্রশাসকের বিরুদ্ধে তদন্ত হয়। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী আরিফুল ইসলাম সুমনকে হাতে নেয়। সে গত বছর ২৯ এপ্রিল তার ব্যবসা প্রতিষ্টানের সামনে  মারধর করে আহত করে। সে ১২ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে থানায় মামলা করতে গেলে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিযোগ নেননি বলে অভিযোগ করেন। পরে তিনি আদালতে মামলা দায়ের করলে থানা কর্তৃপক্ষকে এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেন। সে একই গ্রুপ মাটি দুস্যদের সাথে আতাঁত করে ভাড়াটিয়া লোক নিয়ে তাকে হত্যা করার উদ্দ্যেশে এ হামলা চালিয়েছে। তিনি এ হামলার সুষ্ঠ তদন্তের জন্য চন্দনাইশ থানা প্রশাসনকে ব্যতিত রেখে অন্য একটি সংস্থাকে মামলাটি তদন্ত দেয়ার দাবি জানান।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

License Activation

Enter your key to unlock the system.

Purchase New License

Don't have a key? Pay and submit the form below.

Amount: 0.00

Request Sent!

Order Submitted Successfully! We will contact you soon.

License Activation

Enter your key to unlock the system.

Purchase New License

Don't have a key? Pay and submit the form below.

Amount: 0.00

Request Sent!

Order Submitted Successfully! We will contact you soon.