শিরোনাম
যোগ্য নেতৃত্বের খোঁজে কালিগঞ্জবাসী: পছন্দের শীর্ষে সাংবাদিক শামীম। প্রযুক্তি বনাম নৈতিকতা: এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও নকলমুক্ত আগামীর চ্যালেঞ্জ।। হাম টিকার অভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের দাবি – এডব্লিউসিআরএফ রাশিয়ার ফার্স্ট সেক্রেটারীর সাথে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় পোরশায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে ২৭০টি ছাগল বিতরণ।  গণমানুষের প্রতিনিধিত্বশীল সাংবাদিকতা পছন্দ করতেন প্রয়াত সাংবাদিক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী চন্দনাইশ প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি জাহাঙ্গীর চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সৈকত দাশ দুই টাকায় স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন লিবিয়ায় চার শতাধিক বাংলাদেশির ওপর নৃশংস নির্যাতনের অভিযোগ — আশরাফ-বাহার ‘মানবপাচার মাফিয়া’ চক্র নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ছাতকে বাসায় অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার মজুত, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন

ব্যাংকগুলোর সম্পদ পর্যালোচনার জন্য নিয়োগ দিয়েছে বিখ্যাত তিন অডিট ফার্মকে ।

রিপোটারের নাম / ৩৩৬ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৫

 

এইচটি বাংলা অর্থনীতি ডেস্ক  : বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ শাসনামলে প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার ব্যাংক থেকে আত্মসাতের অভিযোগ তোলা হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিখ্যাত তিনটি আর্থিক পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান—ইওয়াই, ডেলয়েট এবং কেপিএমজিকে ব্যাংকগুলোর সম্পদ পর্যালোচনার জন্য নিয়োগ দিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ অর্থ পাচার করে কেনা সম্পদের সন্ধানে ১১টি যৌথ তদন্ত দলও গঠন করেছে। এই তদন্তের কেন্দ্রে বাংলাদেশে থাকা শীর্ষ ১০ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আরও বলেন, আর্থিক পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো ‘অ্যাসেট কোয়ালিটি রিভিউ’ শুরু করেছে যার মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর সম্পদের কার্যকারিতা যাচাই করা হবে। কোনো সম্পদ কার্যকর কি না এবং কীভাবে তা ব্যবহৃত হয়েছে, সেসব বিষয়ে ফরেনসিক অডিটও করা হবে।

আহসান এইচ মনসুর জানান, তার মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরানো এবং পাচার হওয়া অন্তত ২ ট্রিলিয়ন টাকা উদ্ধার করা।

গত বছরেই তিনি মন্তব্য করেছিলেন, বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি শীর্ষ ব্যাংক সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার (ডিজিএফআই) সাহায্যে দখল করা হয়েছে। মূলত ছয়টি ব্যাংকে বিশেষভাবে নজর দেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে পাঁচটি ব্যাংকের শেয়ার এস আলম গ্রুপের হাতে রয়েছে।

এছাড়া, বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে ১১.৩ বিলিয়ন টাকার জালিয়াতির অভিযোগে মামলা করেছে, যেখানে মামলা সম্পর্কিত কিছু সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এস আলমের আইনজীবী বলছেন, তাদের কিছুরই দোষ নেই এবং তারা আইনি পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সমর্থন সহ পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধার চেষ্টা করছে। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ এই প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে আর্থিক সম্পৃক্ততার অভিযোগের কারণে শেখ হাসিনার ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিক পদত্যাগ করেছেন। আহসান এইচ মনসুর বলেন, জনগণের চাপের কারণে তার পদত্যাগ হয়েছে এবং এটি হারানো অর্থ পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টায় বিশ্বের নজর আকর্ষণ করবে। তিনি আশা করছেন, রাজনীতিবিদরা জনগণের চাপের সম্মুখীন হয়ে অর্থ পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টায় সমর্থন দেবেন।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ