শিরোনাম
দাঁড়িপাল্লার জোয়ারে নরসিংপুর, চেলা নদীতে ত্রিমাত্রিক সেতুর ঘোষণা-সালাম মাদানীর শুরু হলো রক্তঝরা ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি দহগ্রাম মুন্সিপাড়া একরামিয়া আনছারিয়া নূরানী একাডেমি হেফজ মাদ্রাসায় ছবক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হ্যাঁ ভোটে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের আহ্বান-কামারগাঁওয়ে সালাম মাদানী ইসলামপুর ইউপি নির্বাচনের চারবারের প্রার্থী মোঃ ইব্রাহিম আলী আর নেই রাজশাহী বিভাগীয় স্টাটআপ ২ রা ফেব্রয়ারি ময়মনসিংহে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে জামালপুর শহর বিএনপির উদ্যোগে প্রচার মিছিল লালমনিরহাট থেকে অক্সফোর্ডে সুযোগ পেলেন ড. মমিন সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে এসজেএফ নেতাদের বৈঠক। সার্ক জার্নালিস্ট ফোরামের সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুর রহমান আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৮ অপরাহ্ন

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৬০৬ হত্যা মামলা হয়েছে, কোনোটিরই তদন্ত শেষ করতে পারেনি পুলিশ

রিপোটারের নাম / ২৮৬ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক : জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার। পরে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর গণহত্যার দায়ে হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানা ও আদালতে এখন পর্যন্ত ৬০৬ হত্যা মামলা হয়েছে। এসব মামলার এজাহারে শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

মামলাগুলোর মধ্যে ঢাকার ৫০টি থানায় মোট ৩৮৮টি মামলা দায়ের হয়। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলা হয় যাত্রাবাড়ি থানায় ১১২টি। মোহাম্মদপুর থানায় ১৩টি, মিরপুর থানায় ১৬টি, ধানমন্ডি থানায় ৯টি, শাহবাগ থানায় ৮টি, ওয়ারি থানায় পাঁচটি, চকবাজার থানায় ৬টি, উত্তরা পশ্চিম থানায় ১২টি ও উত্তরা পূর্ব থানায় ৮টি মামলা হয়েছে।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ২৪টি, রাজশাহী বিভাগে ১২টি, খুলনা বিভাগে ৯টি, ময়মনসিংহে ৮টি, রংপুরে ৭টি, সিলেটে পাঁচটি ও বরিশালে ৬টি মামলা দায়ের হয়।

‘হাইকোর্টের রায়ে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল ইতিহাসে এটাই প্রথম’

তথ্যমতে, ইউনূস সরকারের আট মাস পেরিয়ে গেলেও ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা এসব হত্যা মামলার কোনোটিরই তদন্ত শেষ করতে পারেনি পুলিশ। যদিও এটিকে তদন্তের ধীরগতি বলতে নারাজ পুলিশ।

ডিএমপির মুখপাত্র তালেবুর রহমান জানান, কয়েকটি মামলার কাজ অনেকটা এগিয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

 

আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী সারা হোসেন মনে করেন, মামলাগুলো দেখভালের জন্য নির্দিষ্ট কাউকে দায়িত্ব দেওয়া উচিৎ। এর যৌক্তিক সুরাহা হওয়া দরকার।

 

তিনি বলেন, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া কতদূর এবং মামলাগুলোর শেষ পরিণতি কী হবে- এটা নিয়ে ধারণা পওয়া গেলে মানুষ তদন্তের বিষয়ে বুঝতে পারত। সার্বিকভাবে মামলাগুলোর বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করা উচিৎ।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ