শিরোনাম
দাঁড়িপাল্লার জোয়ারে নরসিংপুর, চেলা নদীতে ত্রিমাত্রিক সেতুর ঘোষণা-সালাম মাদানীর শুরু হলো রক্তঝরা ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি দহগ্রাম মুন্সিপাড়া একরামিয়া আনছারিয়া নূরানী একাডেমি হেফজ মাদ্রাসায় ছবক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হ্যাঁ ভোটে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের আহ্বান-কামারগাঁওয়ে সালাম মাদানী ইসলামপুর ইউপি নির্বাচনের চারবারের প্রার্থী মোঃ ইব্রাহিম আলী আর নেই রাজশাহী বিভাগীয় স্টাটআপ ২ রা ফেব্রয়ারি ময়মনসিংহে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে জামালপুর শহর বিএনপির উদ্যোগে প্রচার মিছিল লালমনিরহাট থেকে অক্সফোর্ডে সুযোগ পেলেন ড. মমিন সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে এসজেএফ নেতাদের বৈঠক। সার্ক জার্নালিস্ট ফোরামের সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুর রহমান আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন

ঘন ঘন লোডশেডিং ও ভোল্টেজ ওঠানামায় চরম দুর্ভোগ, সমাধান চায় মনোহরদীবাসী।

রিপোটারের নাম / ৩৭০ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫

 

আব্দুল মাবুদ মোহাম্মদ ইউসুফ, মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি: নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও ঘন ঘন লোডশেডিং বর্তমানে চরম আকার ধারণ করেছে। দিনে ৮ থেকে ১০ বার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও গৃহবধূসহ সাধারণ মানুষ এতে দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

এক ভোক্তভোগী ইফতেখার ইসলাম জানান, “ভোগান্তি ১০০%। বিদ্যুতের ভোল্টেজ কম। যেখানে ২২০ ভোল্ট পাওয়ার কথা, সেখানে ১৭০-১৭৬ ভোল্টেই ঘুরছে। এতে ফ্যান ঘোরে না ঠিকমতো, ফ্রিজ ঠাণ্ডা হয় না। বহুবার অভিযোগ করেও কোনো সমাধান পাচ্ছি না।”

তিনি আরও বলেন,”মনোহরদীর প্রাণকেন্দ্র – মনোহরদী বাজার ও বাইপাস রোড এলাকায় ৫০টিরও বেশি পরিবারের ঘরে বছরজুড়েই ভোল্টেজ কম। এক বছর যাবৎ লিখিত ও মৌখিকভাবে অভিযোগ দিয়েও কোনো ফল হচ্ছে না। আদৌ হবে কিনা তাও জানি না।”

একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, “দিনে ৭-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যায়। দোকানের ফ্রিজে রাখা আইসক্রিম-দুধ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কাস্টমারদের সামলানো মুশকিল।”

 

একই ধরনের অভিযোগ করেছেন মনোহরদী সদরের একাধিক শিক্ষার্থীও। তাদের দাবি, অনলাইনে ক্লাস কিংবা পরীক্ষা চলাকালীন বিদ্যুৎ চলে গেলে তারা পড়ালেখায় পিছিয়ে পড়ছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে অনেককেই।

এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে বিদ্যুৎ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে। অন্যথায় তারা বৃহত্তর কর্মসূচির পথে যেতে বাধ্য হবেন।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ