শিরোনাম
জোয়ারা খানখানাবাদ নূতন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন চন্দনাইশে মখলেছুর রহমান চৌধুরী-আলতাজ খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরামের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন ও ঈদ পুনর্মিলনী চন্দনাইশ বৈলতলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী মেলা ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বসতভিটা দখল নিয়ে বর্বর হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪ যোগ্য নেতৃত্বের খোঁজে কালিগঞ্জবাসী: পছন্দের শীর্ষে সাংবাদিক শামীম। প্রযুক্তি বনাম নৈতিকতা: এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও নকলমুক্ত আগামীর চ্যালেঞ্জ।। হাম টিকার অভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের দাবি – এডব্লিউসিআরএফ রাশিয়ার ফার্স্ট সেক্রেটারীর সাথে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় পোরশায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে ২৭০টি ছাগল বিতরণ। 
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ন

শিশু শ্রম প্রতিরোধে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা – শিশুবন্ধু মুহাম্মদ আলী

রিপোটারের নাম / ৫৫৫ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১২ জুন, ২০২৩

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক :১২ জুন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ন‍্যায় বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে শিশু শ্রম প্রতিরোধ দিবস। তবে শুধুমাত্র মাত্র কাগজে কলমেই সরব থাকে।
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) শিশুশ্রমে নিয়োজিত শিশুদের দুর্দশা তুলে ধরার উপায় হিসাবে 2002 সালে শিশু শ্রমের বিরুদ্ধে প্রথম বিশ্ব দিবসের সূচনা করে। ১২ ই জুন পালন করা হয়, দিবসটি শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান আন্দোলনের অনুঘটক হিসেবে কাজ করার উদ্দেশ্যেই এই দিবসটি ঘোষণা করা হয়।
কিন্তু যে লক্ষ্যে নিয়ে বিশ্ব ব‍্যাপী এই দিবসটি পালন করা হয়; তা কতটুকুই বা শিশু শ্রম বন্ধে কার্যকরীতা পেয়েছে শিশু শ্রম বন্ধে? সেই প্রশ্নই থেকে যাচ্ছে।
দৈনন্দিন জীবনে চলার পথে আমরা দেখতে পাই প্রতিটা ক্ষেত্রে প্রতিটা বিষয়ে স্বল্প আয়ের মানুষেরা তাদের জীবন সংগ্রামের সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছে। আর এই যুদ্ধে সামিল হচ্ছে শিশুরাও।
এমনও আছে যে, পুরো পরিবারের হাল ধরতে হচ্ছে। এভাবে ক্রমবর্ধমানে শিশু শ্রম বৃদ্ধি পাচ্ছে।
পরিবারের হাল ধরতে এই শিশুরা তাদের অদূর ভবিষ্যতে কে বিলিন করে দিয়ে তারা বিভিন্ন কারখানা সহ রিক্সা, ভ‍্যান এমনকি টেম্পু বাস সহ বিভিন্ন যানবাহনও তারা শ্রমে নিয়োজিত আছে। অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজের সাথে সম্পৃক্ত থাকতেও দেখা যাচ্ছে এই কোমলমতি শিশুদের। একটি শিশুর যে মৌলিক অধিকার রয়েছে তা তো পাচ্ছেও না বরং আরও শোষিত ও নির্যাতিত হচ্ছে। দেশ এত উন্নয়ন হলেও উন্নয়ন হয়নি পথশিশুদের ভাগ‍্য। আজও এখনো দেখা যাচ্ছে পথে ঘাটে, বাস স্টেশনে, রেল স্টশন সহ বিভিন্ন আনাচে কানাচে যত্রতত্র ভাবে পড়ে থাকে। পিতা মাতাহীন শিশুরা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ছুটে বেড়াচ্ছে। এভাবে যদি দিন দিন শিশুরা অবহেলিত থাকে তাহলে ভবিষ্যত প্রজন্ম হবে ভয়ানক। তাই সরকারের বিশেষ পদক্ষেপের পাশাপাশি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে শিশু শ্রম নিরসন করার যে ঘোষণা দিয়েছে সরকার ; তা বাস্তবায়ন করতে হলে প্রয়োজন দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, বেকারত্ব দূর করা সহ ইত্যাদি।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ