শিরোনাম
কালিহাতীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ টাঙ্গাইলে মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণে মেধাবৃত্তির চেক বিতরণ সাপাহারে অ’বৈধ কারেন্ট ও রিং জাল পু’ড়িয়ে ধ্বং’স সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধানের মাতার ইন্তেকালে পাটগ্রাম প্রেসক্লাবের শোক বিহারে অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক মিডিয়া সামিট-২০২৬ শক্তিশালী টাইফুন ‘দুজুয়ান’-এর আঘাতে জাপানে বিপর্যয় দুজনের মৃত্যু। জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময়সূচি প্রকাশ ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপারসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত। পোরশায় মাদক সেবনের দায়ে যুবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত পূর্ণভবা নদীতে নৌকাডুবি: শিশুসহ ১০৯ যাত্রী নিয়ে নৌকাডুবির ঘটনা, সুতি জালের উপকরণের সঙ্গে ধাক্কা। 
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন

গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি নিয়ে জনসাধারণকে ধৈর্য ও সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবহিনী।

রিপোটারের নাম / ১৩৬৪ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫

 

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক : গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি নিয়ে জনসাধারণকে ধৈর্য ও সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবহিনী।

 

বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৬ জুলাই ২০২৫ তারিখে গোপালগঞ্জ জেলায় একটি রাজনৈতিক দলের জুলাই পদযাত্রার অংশ হিসেবে আহ্বানকৃত জনসমাবেশকে কেন্দ্র করে এলাকার একদল উচ্ছৃঙ্খল জনতা সংঘবদ্ধভাবে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিক আহত হন।

 

এ ছাড়াও, শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সরকারি যানবাহনে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হওয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও স্থানীয় পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে হস্তক্ষেপ করে এবং প্রাথমিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

 

এতে বলা হয়, উক্ত রাজনৈতিক সংগঠনের সমাবেশ চলাকালীন মঞ্চে পুনরায় হামলা চালানো হয় এবং একই সাথে জেলা কারাগারে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। এমতাবস্থায়, সেনাবাহিনী হামলাকারীদের মাইকে বারংবার ঘোষণা দিয়ে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলে তারা সেনাবাহিনীর ওপর বিপুল সংখ্যক ককটেল ও ইট পাটকেল ছুড়ে হামলা করে। এক পর্যায়ে সেনাবাহিনী আত্মরক্ষার্থে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ যৌথভাবে বিশৃঙ্খলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। অতঃপর, সেনাবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পুলিশ সুপারের কার্যালয়, গোপালগঞ্জ এ আশ্রয় গ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গকে খুলনায় স্থানান্তর করা হয়। সর্বোপরি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পেশাদারিত্ব ও ধৈর্যের সাথে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বর্তমানে গোপালগঞ্জ জেলায় সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং প্রশাসন কর্তৃক জারিকৃত কারফিউ চলমান রয়েছে। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাব এবং প্রশাসনের অন্যান্য সংস্থাগুলো ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় রেখে কাজ করে যাচ্ছে। গতকাল সকাল হতে চলমান এই রাজনৈতিক সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলায়, গোপালগঞ্জ জেলার জনসাধারণ অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে নিজেদের নিবৃত্ত রেখে সেনাবাহিনীকে সহায়তা করেছেন। গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে ধৈর্য ধারণ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য সর্বসাধারণকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও জননিরাপত্তা রক্ষায় সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;