শিরোনাম
দুই টাকায় স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন লিবিয়ায় চার শতাধিক বাংলাদেশির ওপর নৃশংস নির্যাতনের অভিযোগ — আশরাফ-বাহার ‘মানবপাচার মাফিয়া’ চক্র নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ছাতকে বাসায় অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার মজুত, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা যুক্তরাজ্যে জন্ম নেওয়া আয়রার জন্য নিজ গ্রামে দোয়া মাহফিল উন্নয়ন ও বাণিজ্য প্রসারে এমপি মিলনের সাথে লাইমস্টোন ব্যবসায়ীদের সাক্ষাৎ সিএসসিআর এর উদ্যোগে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ভাষা শহীদের প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রদ্ধা নিবেদন  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপি থেকে জয়ী প্রার্থীরা। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন: তারেক রহমানকে এডব্লিউসিআরএফ-এর অভিনন্দন লালমনিরহাটের ৩টি আসনেই ধানের শীষ বিজয়ী।
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ন

রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফনকৃত ১১৪ জনের মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

রিপোটারের নাম / ৬২৩ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫

 

এইচটি  বাংলা  ডেস্ক  : রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফনকৃত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত অজ্ঞাতপরিচয় ১১৪ জনের মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান ও পরিচয় নিশ্চিত করতে এই আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

আদেশে বিচারক ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬(২) ধারা অনুসারে ঢাকার জেলা প্রশাসককে (ডিসি) মরদেহ উত্তোলন কার্যক্রমে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহিদুল ইসলাম মরদেহ উত্তোলনের আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন বয়সের নারী ও পুরুষ নিহত হন। তাঁদের মধ্যে ১১৪ জনকে অজ্ঞাতনামা ‘শহীদ’ হিসেবে মোহাম্মদপুর থানাধীন রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়।

আবেদনে আরও বলা হয়, ভবিষ্যতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান এবং পরিচয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এসব মরদেহ উত্তোলন প্রয়োজন। প্রতিটি মরদেহের পোস্টমর্টেম, ডিএনএ সংগ্রহ ও প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি, যথাযথ আইনগত কার্যক্রম শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে হবে।

বিচারক সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করে আবেদনটি মঞ্জুর করেন এবং নির্দেশনামূলক আদেশ প্রদান করেন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ