শিরোনাম
জুলাইয়ের শহীদদের স্মরণে ছাতকে জামায়াতের আলোচনা সভা ও বিশেষ মোনাজাত পোরশায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জুলাই শহিদ দিবস পালিত লালমনিরহাটের পাটগ্রামে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় পরিবারের মাঝে জিআর চাল বিতরণ কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হবে ‘তৃতীয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা সাংবাদিকতা সম্মেলন’-২০২৬ ঢাকায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালিত হলো এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন। পোরশায় ব্র্যাকের মাইক্রােফাইন্যান্স কর্মসূচির আয়োজনে ২৭০০ টি বিনা মূল্যে গাছের চারা বিতরণ । চন্দনাইশে সম্পত্তি বিরোধ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন, মিথ্যা মামলা ও হয়রানির অভিযোগ চন্দনাইশে হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের আলোচনা সভা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া ভেনেজুয়েলাকে সহায়তার দিবে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা।
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১১ অপরাহ্ন

দীর্ঘ ১৬ বছর পর কারাগার থেকে বের হচ্ছেন ১৬৮জন বিডিআর সদস্য।

রিপোটারের নাম / ৩১২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক : দীর্ঘ ১৬ বছর পর কারাগার থেকে বের হচ্ছেন পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত বিস্ফোরক মামলায় জামিন পাওয়া বিডিআর সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মোট ৪১ জন, কাশিমপুর-১ থেকে ২৬ জন, কাশিমপুর-২ থেকে ৮৯ জন, কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি সেল থেকে ১২ জনসহ মোট ১৬৮ জন বিডিআর সদস্যকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। যদিও গত ২১ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়ার আদালত জামিনপ্রাপ্ত ১৭৮ জন আসামির নাম প্রকাশ করেন।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল জানান, ১৬৮ জনের তালিকা হাতে পেয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। সেই তালিকা অনুযায়ী বিডিআর সদস্যদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। ওই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। এর মধ্যে হত্যা মামলায় ৮৫০ জনের বিচার শেষ হয় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর। যেখানে ১৫২ জনের ফাঁসি ছাড়াও ১৬০ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া খালাস পান ২৭৮ জন।

২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর সেই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। সেইসঙ্গে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয় ১৮৫ জনকে। পাশাপাশি আরও ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়। আর খালাস পান ২৮৩ জন।

তবে, হাইকোর্টের রায়ের আগে ১৫ জনসহ সব মিলিয়ে ৫৪ জন আসামি মারা গেছেন। ফলে হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে ২২৬ জন আসামি আপিল ও লিভ টু আপিল করেছেন। অন্যদিকে হাইকোর্টে ৮৩ জন আসামির খালাস এবং সাজা কমানোর রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এসব আপিল ও লিভ টু আপিল এখন শুনানির অপেক্ষায়।

বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৮৩৪ জন আসামির বিরুদ্ধে বিচারকাজ শুরু হয় ২০১০ সালে। কিন্তু মাঝপথে বিস্ফোরক মামলার কার্যক্রম একপ্রকার স্থগিত রেখে শুধু হত্যা মামলার সাক্ষ্য উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ। ফলে, মামলাটির বিচার ঝুলে যায়।

এদিকে গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পালাবদলের প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার তদন্ত পুনরায় শুরুর দাবি উঠে। গত ১৯ ডিসেম্বর অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যান শহিদ পরিবারের সদস্যরা। এই হত্যাকাণ্ড পুনঃতদন্তের জন্য গত ২৪ ডিসেম্বর আ ল ম ফজলুর রহমানকে প্রধান করে কমিশন গঠন করে সরকার। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ৯০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে এ কমিশনকে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ