শিরোনাম
থাইল্যান্ডে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের বৈঠক শুরু হয়েছে ‌। ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। গ্রামের মানুুষ ধানের শীষে ভোট দিয়ে দেশের শান্তি ফিরিয়ে আনতে চায় : হাজী আল মামুন মনোহরদীতে বড় বোনের শ্বশুর কর্তৃক ছোট বোন অপহরণ। পোরশায় সড়কে দুর্ঘটনা রোধে ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা জামায়াতের ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত  পদত্যাগ করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ রব ওয়াল্টার । আগামীকাল থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা। মনোহরদীর বাইরে অবস্থানরত জামায়াতের সাংগঠনিক কর্মীদের ঈদ পুনর্মিলনী । পঁচা গরুর মাংস ফ্রিজে স্টোক রাখার অপরাধে দোকান সিলগালা
বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন

অনুর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের শিরোপা ধরে রাখলো বাংলাদেশ।

রিপোটারের নাম / ৮২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

 

 

এইচটি বাংলা স্পোর্টস ডেস্ক : একদল নেমেছিল শিরোপা ধরে রাখতে। দলটা বাংলাদেশ। আরেকদলের লক্ষ্য ছিল শিরোপা ফিরে পাওয়ার। দলটা ভারত। দুই দলের এই লড়াইয়ে জিতলো বাংলাদেশ। অনুর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের শিরোপা ধরে রাখলো বাংলাদেশ। রোববারের (৮ ডিসেম্বর) ফাইনালে ৫৯ রানে তারা হারালো শক্তিশালী ভারতকে। যে ভারত এই টুর্নামেন্টে আটবারের চ্যাম্পিয়ন!

 

ফাইনালের স্কোরটাই আগে জানাই। টসে হেরে দুবাইয়ের এই ফাইনালে বাংলাদেশ ব্যাট করতে নামে। ৪৯.১ ওভারে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ১৯৮ রানে। খুব ভালো বা বড় কোনো স্কোর একে বলার উপায় নেই। কিন্তু ভারত এই রান তাড়া করতে নেমেই যে ভেস্তে গেল বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ের ঝড়ে। ১৩৯ রানে শেষ ভারতের ইনিংস। ফাইনাল জিতলো বাংলাদেশ ৫৯ রানের বিশাল ব্যবধানে।

হার-জিতের এই হিসেবই জানান দিচ্ছে পুরোদুস্তর একতরফা হয়েছে ফাইনাল ম্যাচ। ভারতের ব্যাটাররা দাড়াতেই পারেনি বাংলাদেশের পরিকল্পিত এবং সুশৃঙ্খল ব্যাটিংয়ের সামনে।

 

বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুটা তেমন ভালো হয়নি। ওপেনার কালাম সিদ্দিকী ১৬ বল খেলে মাত্র ১ রান করে বোল্ড হন। পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা বাংলাদেশ অধিনায়ক আজিজুল হাকিমও ফাইনালে বেশিদুর যেতে পারেননি। ২৮ বল খেলে ১৬ রানে ফিরেন তিনি। মিডলঅর্ডারে দুই ব্যাটার মোহাম্মদ শিহাব জেমস ও রিজান হোসেন বাংলাদেশের ইনিংস সামনে বাড়ান। চতুর্থ উইকেট জুটিতে তারা যোগ করেন ৬২ রান। এই জুটিই বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার সাহস যোগায়। দুজনেই অবশ্য সেট হয়ে আউট হন। জেমস ১ ছক্কা ও ৩ বাউন্ডারিতে ৬৭ বলে ৪০ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। রিজান হোসেন যেভাবে খেলছিলেন তাতে হাফসেঞ্চুরিটা তার পাওনা ছিল। কিন্তু তিনিও ৬৫ বলে ৪৭ রানে ফিরেন। স্পিনার হার্দিক রাজের বলে রিজান আউট হন।

নবম উইকেট জুটিতে ফরিদ হাসান ও মারুফ মৃধা ব্যাট হাতে কিছুটা দৃঢ়তা দেখালে বাংলাদেশের স্কোর দুশো রান ছুঁইছুঁই হয়।

 

বাংলাদেশ দল জানতে এই রান রক্ষা করে জিততে হলে শুরুতেই ভারতের ব্যাটিংয়ে আঘাত হানতে হবে। সেই চেষ্টায় দারুণভাবে সফল বোলাররা। শুরুর দুই পেসার আল ফাহাদ ও মারুফ মৃধা তাদের ওপেনিং স্পেলেই সাফল্য পান। পাওয়ার প্লেতে ভারত ৩৯ রানে ২ উইকেট হারায়। ব্যাট হাতে দারুণ সফল রিজান হোসেন বোলিংয়ে এসেই সাফল্য দেখান। নিজের ওভারের তৃতীয় বলেই বোল্ড করেন বিপদজ্জনক হয়ে উঠা সিদ্ধার্থকে।

 

আরেক পেসার ইকবাল হোসেন ইমন টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচের মতো ফাইনালেও বল হাতে দলের সেরা পারফর্মার। দুই বলে দুই উইকেট নিয়ে ইকবাল মুলত ম্যাচ বাংলাদেশের করে দিলেন।

 

স্কোরবোর্ডে একশ রান জমা হওয়ার আগেই ভারত ৭ উইকেট হারিয়ে বসে। তখন চলতে তাদের

 

ইনিংসের ২৭ নম্বর ওভার। এমন পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার হয়ে ম্যাচ জেতার জন্য নাটকীয় কিছুর অপেক্ষায় ছিল ভারত।

 

কিন্তু দলের বাকি কেউ যে ব্যাট হাতে বিস্ময়কর কিছু করতে পারলেন না। বাংলাদেশই জিতলো এবং তা দাপুটে ভঙ্গিতেই।

 

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯: ৪৯.১ ওভারে ১৯৮/১০ (জাওয়াদ ২০, কালাম ১, আজিজুল ১৬, শিহাব ৪০, রিজান ৪৭, দেবাশিস ১, ফরিদ ৩৯, সামিউন ৪, আল ফাহাদ ১, মারুফ ১১*, ইমন ১; যুধাজিৎ গুহ ৯.১.-১-২৯-২, চেতান ১-০-০-৪৮-২, নিখির ৫-১-১৩-০, কিরান ৭-০-১৯-১, হার্দিক ১০-০-৪১-২, কার্তিয়া ৭-০-৩৭-১, আয়ুশ ১-০-৯-১)।

 

ভারত অনূর্ধ্ব-১৯: ৩৫.২ ওভারে ১৩৯/১০ (আয়ুশ ১, বৈভব ৯, সিদ্ধার্থ ২০, কার্তিয়া ২১, আমান ২৬, নিখিল ০, হারভানশ ০, কিরান ১, হার্দিক ২৪; মারুফ ৬-০-২৩-২, ফাহাদ ৮-০-২৩-১, রিয়াজ ৮-২-১৩-০, ইমন ৭-১-২৪-৪, সামিউন ৫-০-১৫-০, আজিজুল ২.২-১-৮-৩)।

 

ফল: ফাইনালে ৫৯ রানে জয়ী বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

ম্যাচসেরা ও টুর্নামেন্টসেরা: ইকবাল হোসেন ইমন।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ