শিরোনাম
জোয়ারা খানখানাবাদ নূতন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন চন্দনাইশে মখলেছুর রহমান চৌধুরী-আলতাজ খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরামের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন ও ঈদ পুনর্মিলনী চন্দনাইশ বৈলতলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী মেলা ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বসতভিটা দখল নিয়ে বর্বর হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪ যোগ্য নেতৃত্বের খোঁজে কালিগঞ্জবাসী: পছন্দের শীর্ষে সাংবাদিক শামীম। প্রযুক্তি বনাম নৈতিকতা: এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও নকলমুক্ত আগামীর চ্যালেঞ্জ।। হাম টিকার অভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের দাবি – এডব্লিউসিআরএফ রাশিয়ার ফার্স্ট সেক্রেটারীর সাথে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় পোরশায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে ২৭০টি ছাগল বিতরণ। 
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন

জনবল সংকটে তজুমদ্দিনে বেহাল প্রাথমিক শিক্ষা ॥

রিপোটারের নাম / ৬১৩ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

 

সাইফুল ইসলাম সাকিব : ভোলার তজুমদ্দিনে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের জনবল সংকটে বেহাল অবস্থায় পড়েছে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা। ফলে শিক্ষা অফিসের যথাযথ তদারকি না থাকায় শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত হচ্ছেন যে যার মতো। এ সব জটিলতার মধ্যে প্রতিনিয়তই শিশুরা তাদের মৌলিক অধিকার প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা গেছে, ৩জন সহকারী শিক্ষা অফিসারের স্থলে রয়েছে মাত্র ১জন। অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর ও অফিস সহায়কের পদটিও রয়েছে দীর্ঘদিন শূণ্য। অফিসটিতে জনবল সংকটের বোঝায় মাঠ পর্যায়ে যথাযথ তদারকী না থাকায় বেহাল অবস্থা দেখা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায়।

 

সরকারী নিয়নমানুযায়ী সকাল ৯টায় বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়ে বিকাল সোয়া ৩টা পর্যন্ত চলার আইন থাকলেও শিক্ষা অফিসের জনবল সংকটে দূর্বল তদারকির কারণে তা সম্ভব হচেছনা এই উপজেলায়। কিছু কিছু শিক্ষক রয়েছে তার সকাল ৯টা থেকে বিকাল সোয়া ৩টার এসব নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বিদ্যালয়ে আগমন ও প্রস্থান করেন নিজেদের ইচ্ছে মাফিক। শিক্ষা অফিসের উদাসিনতার কারণে মাঠ পর্যায়ে শিক্ষকদের অব্যবস্থাপনায় শিশুরা শিক্ষারমতো মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঘুরে দেখা গেছে বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদানে চলেছে একেবারেই অনিয়ম। কিছু শিক্ষক বিদ্যালয়ের উপস্থিত থাকলেও আবার কিছু থাকেনা বিদ্যালয়ে। যে কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে দেখা দিয়েছে হ-য-ব-র-ল অবস্থা।

 

শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের সাথে আলাপকালে তারা জানান, আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যতে সু-নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার শিক্ষা অফিসের শূণ্যপদগুলি পূরণ করে বিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষার যথাযথ পরিবেশ ফিরিয়ে দিবেন বলে আশা করি। তাদের দাবী শূণ্যপদগুলো পূরণ হলে শিক্ষা অফিস যথাযথ তদারকি করলে মাঠ পর্যায়ে স্কুলে পাঠদানের পরিবেশ উন্নত হবে এবং শিশুরা আরামদায়ক শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। আর তাতেই সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের উন্নতিতে অবদান রাখবে আজকের শিশুরা।

 

উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আব্দুল মান্নান হাওলাদার বলেন, তিনজনের কাজ কখনো একজন দিয়ে হয় না। তিনজন সহকারী শিক্ষা অফিসার থাকলে যেখানে মাসে ৩০টি বিদ্যালয় পরিদর্শন হতো সেখানে এখন হচ্ছে মাত্র ১০টি। জনবল সংকট থাকলে মাঠ পর্যায়ের অবস্থা কি হতে পারে তাতো আপনারাই অনুমান করতে পারেন।

 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুহা. এনায়েতুর রহমান বলেন, তিনজন সহকারী শিক্ষা অফিসারের স্থলে রয়েছে মাত্র একজন। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাননো হয়েছে। অধিদপ্তর থেকে লোক পদায়ন করা হলে সমস্যার সমাধান হবে আশা করা যায়।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ