শিরোনাম
চন্দনাইশে শহীদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ কাল যারা জশনে জুলুসের বিরোধিতা করেন, তাদের মানসিক চিকিৎসা করানো উচিত : মোছাইব উদ্দিন বখতিয়ার ভুটানের রাজাকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ৫০০ টাকা মজুরিসহ ৪ দফা দাবিতে চান্দপুর চা বাগানে মানববন্ধন পোরশায় ডাসকো ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ১০ কন্যা শিশুকে ৫০০০ হাজার টাকা শিক্ষা বৃত্তি প্রদান। অ্যাডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি) কর্তৃক চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ফেন্সিডিল আটক।    কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল পাটগ্রাম ছাত্রশিবির ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পোরশাকে মাদকমুক্ত করতে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা চাইলেন ওসি জিয়াউর রহমান।
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন

অবসরে গেছেন চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল ইসলাম ।

রিপোটারের নাম / ৫৪৯ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৪

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক : বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. আশরাফুল ইসলাম অবসরে গেছেন। রবিবার (২০ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে তাকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

 

২০২১ সালের ১৪ জুলাই মো. আশরাফুল ইসলাম বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দেন। তার দায়িত্ব পালনকালে ১৮৪ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ চা উৎপাদনের রেকর্ড হয়েছে। এসময় ১৬৮টি চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে ১০২.৯২ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছিল।

 

চা শিল্পকে টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর উদ্দেশ্যে এবং চা উৎপাদনকারীদের সুরক্ষা প্রদানের নিমিত্তে চায়ের গ্রেডভিত্তিক ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয় তার সময়ে। যার ওপর ভিত্তি করে এখন চা নিলাম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি টি লাইসেন্সিং সিস্টেম চালু করেন।

 

বাংলাদেশের চা শিল্পের মধ্যমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়ন কার্যক্রম চালু করেন।

 

 

চা শিল্পে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে চা চোরাচালান রোধ ও সঠিক তথ্য প্রাপ্তির নিমিত্তে প্রথমবারের মতো টি সফট নামে একটি সফটওয়্যার চালু করা হয়েছে। উক্ত সফটওয়্যার ব্যবহারের ফলে চা চোরাচালান রোধ এবং চা উৎপাদনের সঠিক তথ্য প্রাপ্তি সহজ হয়েছে। পাশাপাশি সকল চা বাগানের তথ্য একই প্লাটফর্মে প্রাপ্তির লক্ষ্যে বাংলাদেশ টি ইন্ডাস্ট্রি শীর্ষক আরো একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করা হয়েছে।

 

 

মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম ১৯৬৮ সালের ২১ অক্টোবর বর্তমান লালমনিরহাট জেলার সদর উপজেলাধীন তিস্তা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি রংপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি ও এইচএসসিতে উত্তীর্ণ হন। তিনি ১৯৮৯ সালের ২২ ডিসেম্বর ২১তম বিএমএ দীর্ঘ মেয়াদি কোর্সে ইঞ্জিনিয়ার্স কোর এ কমিশন লাভ করেন এবং ৫ আরই ব্যাটালিয়ন, পোস্তগোলা সেনানিবাসে যোগদান করেন। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুমাত্রিক কমান্ড, স্টাফ এবং প্রশিক্ষক নিযুক্তিতে অত্যন্ত দক্ষতা ও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ