শিরোনাম
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে  বিষাক্ত গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায়  নয়জনের মৃত্যু আহত ৩০ শ্রমিক পোরশায় কারিতাসের জলবায়ুর বিরুপ প্রভাব প্রতিরোধে স্থানীয় উদ্যেগ বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।  জীবন্ত শিশুর মাথায় ছাদ নেই, অথচ রাষ্ট্রের কোটি টাকা ইট পাথরের স্থাপনায় — এ কেমন অগ্রাধিকার? হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে সংসদ সদস্যদের বৈঠক ডেকেছে ইসি। সচিব পদে রদবদল । পোরশায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১, ২০০ পিস ট্যাপন্টোডল মাদক ট্যাবলেট জব্দ।  নওগাঁর পোরশায় ৭ মাসে ১৯ জনের অপমৃত্যু, বেশ কিছু আত্মহত্যা।  ডিএমপি পুলিশের সাত কর্মকর্তার রদবদল। শেখ হাসিনাকে ও হাদি হত্যা মামলার আসামিদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতের প্রতি অনুরোধ।
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন

সংক্ষিপ্ত ধরনের সংস্কার বাস্তবায়ন হলে এই বছরের ডিসেম্বরে নির্বাচন : প্রধান উপদেষ্টা

রিপোটারের নাম / ৩৩২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫

 

এইচটি  বাংলা  ডেস্ক  : অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, যদি আমরা সংক্ষিপ্ত ধরনের সংস্কার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করি, সেক্ষেত্রে এ বছরের শেষ নাগাদ নির্বাচনের টার্গেট করেছি। কিন্তু যদি জনগণ বলে, ‘না না, আমরা বড় পরিসরে সংস্কার চাই, সে ক্ষেত্রে আমাদের প্রয়োজন আরও ছয় মাস।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনের ফাঁকে ‘আ কনভারসেশন উইথ মুহাম্মদ ইউনূস’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

 

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জনগণকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা স্বল্প নাকি বড় ধরনের সংস্কার চান। বড় ধরনের সংস্কার হলে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি, আর ছোট ধরনের সংস্কার হলে এ বছরের শেষ নাগাদ নির্বাচন হবে। সেভাবেই আমরা এগোচ্ছি।

 

ড. ইউনূস বলেন, সংস্কার কমিশনগুলোর রিপোর্ট এলে জনগণ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করা হবে। কমিশনের যেসব সুপারিশ গ্রহণ করা হবে, শুধু সেগুলোই বাস্তবায়ন করা হবে। সব দল ও নাগরিক সংগঠনের ঐকমত্যের ভিত্তিতেই জুলাই চার্টার করা হবে। জুলাই চার্টারের ভিত্তিতে নির্বাচনসহ আমাদের কর্মপন্থা শুরু করব। জনগণ কী ধরনের নির্বাচন চায়, সেটা জানা ছাড়া আমরা নির্বাচনে যেতে পারি না।

 

বাংলাদেশের তরুণরা মানব ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রজন্ম দাবি করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমি তরুণদের বলেছি, তোমরা পুরনো প্রজন্মকে ফলো করো না। আমরা অনেক ভুল করেছি।

 

ভোটার হওয়ার বয়স নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের ভোটার হওয়ার বয়স ‌১৮। আমি পরামর্শ দিয়েছি, ভোটারের বয়স ১৬ হওয়া উচিত। কারণ, আমাদের তরুণরা খুবই ম্যাচিউরড। ১৬ আর ১৮-র মধ্যে তফাত কী! কে বলেছে, ১৮ বছর যা জানে, তা ১৬ বছর বয়সিরা জানে না।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ