শিরোনাম
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ৩০ মে হজ্বের খুতবায় তাকওয়া অবলম্বন ও তাওহিদের ওপর অবিচল থাকার আহ্বান জানান শায়খ আল-হুযাইফি বেস্ট বাংলা ট্র্যাভেলস এন্ড ট্যুরসের উপদেষ্টা মনোনীত হলেন সংগঠক মোহাম্মদ আলী তালায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ নিজস্ব অর্থায়নে ১০০ অসহায় মানুষের চোখের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল তালা থানা ছাত্রদলের সেক্রেটারি পদে তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক খালিদ হাসান ইমন পোরশায় মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল হতে আর্থিক সহায়তা বিতরণ।  ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলম হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে ২৫ মে সোমবার। ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে পাটগ্রামে গ্রাহকদের মানববন্ধন
বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ৩০ মে

রিপোটারের নাম / ২১ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক : মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ৩০ মে শনিবার। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিপথগামী সৈনিকের হাতে তিনি শাহাদাতবরণ করেন। সেই থেকেই তাঁর প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি দিবসটিকে যথাযথ মর্যাদায় শাহাদাতবার্ষিকী হিসেবে পালন করে আসছে। প্রতি বছরই দিবসটি উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, দোয়া–মোনাজাতে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা–কর্মী অংশ নেন। অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা, থাকে কয়েক দিনব্যাপী কর্মসূচি। এবারও দলের প্রতিষ্ঠাতার শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি সারা দেশে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

 

জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলীর বাগবাড়িতে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মনসুর রহমান কলকাতায় প্রধান কেমিস্ট হিসেবে সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত ছিলেন। শৈশব ও কৈশোরের একটি সময় গ্রামে কাটিয়ে জিয়া পিতার সঙ্গে কলকাতায় এবং দেশ বিভাগের পর করাচিতে চলে যান। শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি কাকুলে অফিসার ক্যাডেট হিসেবে ভর্তি হন। ১৯৫৫ সালে তিনি কমিশন লাভ করেন। ১৯৬৫ সালে পাক–ভারত যুদ্ধে খেমকারান সেক্টরে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে একটি কোম্পানির অধিনায়ক হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। তাঁর কোম্পানি যুদ্ধে সবচেয়ে অধিক সাফল্য ও খেতাব লাভ করে। সৈনিক জীবনে তিনি যেমন চরম পেশাদারত্ব দেখিয়েছেন, তেমনি জাতীয় জীবনের সব সংকটে শক্ত হাতে হাল ধরেছেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনী যখন নিরস্ত্র জনতার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মেজর জিয়াউর রহমানই তখন কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ