শিরোনাম
কালিহাতীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ টাঙ্গাইলে মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণে মেধাবৃত্তির চেক বিতরণ সাপাহারে অ’বৈধ কারেন্ট ও রিং জাল পু’ড়িয়ে ধ্বং’স সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধানের মাতার ইন্তেকালে পাটগ্রাম প্রেসক্লাবের শোক বিহারে অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক মিডিয়া সামিট-২০২৬ শক্তিশালী টাইফুন ‘দুজুয়ান’-এর আঘাতে জাপানে বিপর্যয় দুজনের মৃত্যু। জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময়সূচি প্রকাশ ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপারসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত। পোরশায় মাদক সেবনের দায়ে যুবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত পূর্ণভবা নদীতে নৌকাডুবি: শিশুসহ ১০৯ যাত্রী নিয়ে নৌকাডুবির ঘটনা, সুতি জালের উপকরণের সঙ্গে ধাক্কা। 
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন

মারা গেলেন এমপি লিটন হত্যায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী সাবেক সাংসদ কর্নেল কাদের খান।

রিপোটারের নাম / ৩৯৮ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫

 

মো:জাহিদুল ইসলাম, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি :  গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামী একই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কর্নেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খান (৭৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহির রাজিউন) ১৯ জানুয়ারী রবিবার ভোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে তিনি মারা যান।

তার মৃত্যুর এ বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন তাঁর ভাগিনা গাইবান্ধার একটি বেসরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান। তিনি জানান, এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় ফাঁসির আসামি ছিলেন কর্নেল (অব.) আবদুল কাদের খান। গত বছরের ৯ অক্টোবর কেরানীগঞ্জ কারাগারে ব্রেন স্ট্রোক করলে তাঁকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৩ অক্টোবর আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৫ জানুয়ারি তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। রবিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে তিনি মারা যান। কর্নেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খান মৃত্যুকালে স্ত্রী ও একমাত্র পুত্র সন্তান রেখে যান। তারা দুজনই চিকিৎসক।

উল্লেখ্য, গত ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গার মাস্টারপাড়ার নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন নিহত হন। এই ঘটনায় লিটনের বড় বোন ফাহমিদা কাকলী বুলবুল সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলায় অজ্ঞাত পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি দেখানো হয়। এরপর ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক একই আসনের আরেক সাবেক সাংসদ কর্নেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদন্ডাদেশ দেন। এ ছাড়া লিটন হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া অস্ত্র আইন মামলায় আবদুল কাদের খানকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;