শিরোনাম
ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপারসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত। পোরশায় মাদক সেবনের দায়ে যুবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত পূর্ণভবা নদীতে নৌকাডুবি: শিশুসহ ১০৯ যাত্রী নিয়ে নৌকাডুবির ঘটনা, সুতি জালের উপকরণের সঙ্গে ধাক্কা।  তালায় মানবতা ফাউন্ডেশনের ২১ সদস্যের কার্যকরী কমিটি গঠন রংপুর ব্যাটালিয়ন- ৫১ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ষাঁড় ও ডিমলায় মাদকসহ আটক ১ যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারধর-শ্বাসরোধের অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তার দক্ষিণ কোরিয়া খাদ্যবর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় পাঁচজনের মৃত্যু। নওগাঁর পোরশায় ১০ কেজি গাজা সহ তিন জন বড় মাদক কারবারী গ্রেফতার।  পোরশায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরের উদ্যোগে ডেঙ্গু কিট হস্তান্তর।
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২২ পূর্বাহ্ন

শিক্ষক সংকটের কারণে দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র -ছাত্রীদের ক্লাস বর্জন

রিপোটারের নাম / ১৯৫ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

 

এফ আই রানা , লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি : দীর্ঘদিন যাবত শিক্ষক সংকটের দরুন দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম।মূল প্যাটার্ণভুক্ত মাত্র ১জন শিক্ষকেই সামলাতে হচ্ছে গোটা বিদ্যালয়। ফলে শিক্ষাকার্যক্রম ভেঙে পড়েছে। শিক্ষক সংকটের সমাধানের জন্য ক্লাস বর্জন করে আন্দোলনে নেমেছে ছাত্র -ছাত্রীরা।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা ক্লাস বর্জন করে বিভিন্ন দাবী সম্বলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিদ্যালয় মাঠে অবস্থান গ্রহণ করে। তাদের প্রদর্শিত প্ল্যাকার্ডে শোভা পায় ” One school one teacher ” ভবন আছে বই আছে শিক্ষক নেই কেন? ” ভবন আছে, বই আছে, শিক্ষার্থী আছে, বেঞ্চ আছে শিক্ষক কেন নেই ক্লাস? ” এমন সব শ্লোগান।

 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবত দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট চলছে। প্রায় ৭০০জন ছাত্র ছাত্রীর পাঠদানের জন্য একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও ২জন কর্মচারী নিয়ে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলছে। ইংরেজি, গণিত, বাংলা, বিজ্ঞাণ সহ অনেক বিষয়ের শিক্ষকের পদ শুণ্য রয়েছে বলে জানা যায়। জানা গেছে নিয়োগকৃত অনেক শিক্ষক এখানে পদায়ন হয়নি দীর্ঘদিনেও। কখনো কখনো ২/১ টি পদের শিক্ষক এলেও বেশি দিন এখানে থাকতে চান না। কয়েক দিন যেতে না যেতেই বদলী হয়ে অন্যত্র চলে যান। ফলে একজন মাত্র মূল পদের শিক্ষক ও খণ্ডকালীন হাতে গোনা কয়েকজন শিক্ষক দিয়েই চলছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

২০১৩ সালের ৬ অক্টোবর সরকার এই বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করে এবং পরবর্তীতে একে কলেজিয়েট হিসেবে উন্নীত করা হয়। বিদ্যালয়টি লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলাধীন দহগ্রাম ইউনিয়নের একমাত্র সরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যা স্থানীয় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রধান ভরসা।কিন্ত নানাবিধ অব্যবস্থাপনা, প্রয়োজনীয় শিক্ষক সংকটের কারণে অবকাঠামোগত অনেক সুযোগ সুবিধা বিদ্যমান থাকলেও এই বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। চরম শিক্ষক সংকটে ক্ষুব্ধ ও হতাশ শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবী শিক্ষক সংকট নিরসনের ব্যবস্থা না হলে তারা ক্লাসে ফেরবে না। কয়েকজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এভাবে একটি প্রতিষ্ঠান চলতে পারেনা। আমরা এর সুষ্ঠু সমাধান চাই। এ বিযয়ে তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

;