শিরোনাম
পোরশায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগ পরীক্ষা পরিদর্শনে ইউএনও রাকিবুল ইসলাম।  শিক্ষক সংকটের কারণে দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র -ছাত্রীদের ক্লাস বর্জন নওগাঁ পুলিশ সুপারের নির্দেশে পোরশায় বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ তৈরির উপকরণ জব্দ ও ধ্বংস, ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা।  লালমনিরহাটেট পাটগ্রামে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিনিয়ত মানুষ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। পোরশায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত পোরশায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ বিএমএসএস’র কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী পোরশায় মেইন সড়ক থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও স্কুল- আ্যান্ড কলেজে যাওয়ার রাস্তা বেহাল,দ্রুত সংস্কারের দাবি। পাটগ্রামে ওয়ারিয়র্স অফ জুলাই ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে মাসব্যাপী আন্ত: বিদ্যালয় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন

শিক্ষক সংকটের কারণে দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র -ছাত্রীদের ক্লাস বর্জন

রিপোটারের নাম / ৭৪ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

 

এফ আই রানা , লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি : দীর্ঘদিন যাবত শিক্ষক সংকটের দরুন দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম।মূল প্যাটার্ণভুক্ত মাত্র ১জন শিক্ষকেই সামলাতে হচ্ছে গোটা বিদ্যালয়। ফলে শিক্ষাকার্যক্রম ভেঙে পড়েছে। শিক্ষক সংকটের সমাধানের জন্য ক্লাস বর্জন করে আন্দোলনে নেমেছে ছাত্র -ছাত্রীরা।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা ক্লাস বর্জন করে বিভিন্ন দাবী সম্বলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিদ্যালয় মাঠে অবস্থান গ্রহণ করে। তাদের প্রদর্শিত প্ল্যাকার্ডে শোভা পায় ” One school one teacher ” ভবন আছে বই আছে শিক্ষক নেই কেন? ” ভবন আছে, বই আছে, শিক্ষার্থী আছে, বেঞ্চ আছে শিক্ষক কেন নেই ক্লাস? ” এমন সব শ্লোগান।

 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবত দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট চলছে। প্রায় ৭০০জন ছাত্র ছাত্রীর পাঠদানের জন্য একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও ২জন কর্মচারী নিয়ে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলছে। ইংরেজি, গণিত, বাংলা, বিজ্ঞাণ সহ অনেক বিষয়ের শিক্ষকের পদ শুণ্য রয়েছে বলে জানা যায়। জানা গেছে নিয়োগকৃত অনেক শিক্ষক এখানে পদায়ন হয়নি দীর্ঘদিনেও। কখনো কখনো ২/১ টি পদের শিক্ষক এলেও বেশি দিন এখানে থাকতে চান না। কয়েক দিন যেতে না যেতেই বদলী হয়ে অন্যত্র চলে যান। ফলে একজন মাত্র মূল পদের শিক্ষক ও খণ্ডকালীন হাতে গোনা কয়েকজন শিক্ষক দিয়েই চলছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

২০১৩ সালের ৬ অক্টোবর সরকার এই বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করে এবং পরবর্তীতে একে কলেজিয়েট হিসেবে উন্নীত করা হয়। বিদ্যালয়টি লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলাধীন দহগ্রাম ইউনিয়নের একমাত্র সরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যা স্থানীয় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রধান ভরসা।কিন্ত নানাবিধ অব্যবস্থাপনা, প্রয়োজনীয় শিক্ষক সংকটের কারণে অবকাঠামোগত অনেক সুযোগ সুবিধা বিদ্যমান থাকলেও এই বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। চরম শিক্ষক সংকটে ক্ষুব্ধ ও হতাশ শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবী শিক্ষক সংকট নিরসনের ব্যবস্থা না হলে তারা ক্লাসে ফেরবে না। কয়েকজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এভাবে একটি প্রতিষ্ঠান চলতে পারেনা। আমরা এর সুষ্ঠু সমাধান চাই। এ বিযয়ে তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ