শিরোনাম
পোরশায় কারিতাসের জলবায়ুর বিরুপ প্রভাব প্রতিরোধে স্থানীয় উদ্যেগ বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।  জীবন্ত শিশুর মাথায় ছাদ নেই, অথচ রাষ্ট্রের কোটি টাকা ইট পাথরের স্থাপনায় — এ কেমন অগ্রাধিকার? হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে সংসদ সদস্যদের বৈঠক ডেকেছে ইসি। সচিব পদে রদবদল । পোরশায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১, ২০০ পিস ট্যাপন্টোডল মাদক ট্যাবলেট জব্দ।  নওগাঁর পোরশায় ৭ মাসে ১৯ জনের অপমৃত্যু, বেশ কিছু আত্মহত্যা।  ডিএমপি পুলিশের সাত কর্মকর্তার রদবদল। শেখ হাসিনাকে ও হাদি হত্যা মামলার আসামিদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতের প্রতি অনুরোধ। পোরশায় উৎসব মুখর পরিবেশে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে।
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন

গণতান্ত্রিক সরকার ছাড়া স্বস্তি ফিরবে না ব্যবসায়ীদের : বিসিআই সভাপতি

রিপোটারের নাম / ৪০২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৫

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক : বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রির (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ারুল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেছেন, ‌ব্যবসায়ীরা গণতান্ত্রিক সরকার চায়। গণতান্ত্রিক সরকার ছাড়া স্বস্তি ফিরবে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যাওয়া উচিত অন্তর্বর্তী সরকারের।

 

গত শনিবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী। বিসিআই দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের চ্যালেঞ্জ নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

 

 

আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার যত দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কার করে বাকি সংস্কারের জন্য পথনকশা করে দিতে পারে, ততই মঙ্গল।

 

 

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিসিআই সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক সংকোচনমূলক নীতি নিয়েছে; তারল্য সরবরাহ কমিয়েছে। এগুলো দেশের অর্থনীতি, শিল্প ও ব্যবসায়ীদের জন্য অনুকূল নয়।

 

 

তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশ আইএমএফের প্রেসক্রিপশন নিয়ে কিছু জায়গায় প্রস্তুতি নিতে পারি; কমপ্ল্যায়েন্স পূরণ করার জন্য অনেক জায়গায় কাজ করতে পারি। কিন্তু, আইএমএফের প্রেসক্রিপশন পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে গেলে আমাদের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়বে।

 

দেশি উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করতে ভয় পেলে বিদেশি বিনিয়োগ কীভাবে আসবে—এমন প্রশ্ন রেখে বিসিআই সভাপতি বলেন, সুদহার বাড়ানো হচ্ছে, ভ্যাট বাড়ানো ও ঋণ শ্রেণিকরণের মেয়াদ ৬ মাস থেকে কমিয়ে ৩ মাসে নিয়ে আসার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হলো। আবার যখন উপদেষ্টা গভর্নরের পক্ষ থেকে বলা হয়, দাম বাড়বে না, শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য শিল্প উদ্যোক্তাদের খুবই চিন্তিত করে।

বর্তমান সরকারের কার্যক্রমে অর্থনীতি অগ্রাধিকার পাচ্ছে না উল্লেখ করে আনোয়ার-উল আলম বলেন, সরকার একদিকে সুদহার বাড়িয়ে রেখেছে, অন্যদিকে আছে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি। অন্যদিকে এখন পর্যন্ত জ্বালানি সমস্যার সুরাহা হয়নি; বরং নতুন করে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কথা হচ্ছে। ফলে এটা পরিষ্কার, সরকারের কার্যক্রম শিল্প খাতের জন্য ইতিবাচক নয়। এভাবে চললে নতুন শিল্প স্থাপন তো দূরের কথা, বিদ্যমান শিল্পপ্রতিষ্ঠানের পক্ষেও টিকে থাকা কঠিন।

দেশের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে আনোয়ার-উল আলম বলেন, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার ভয় কে পাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক সমাধানও দেখা যাচ্ছে না। তার মতে, অন্তর্বর্তী সরকার যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় চলে যাওয়া উচিত। তাতে সবার মধ্যে স্বস্তি আসবে।

২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে উত্তরণের কথা আছে বাংলাদেশের। তবে এই সময়সীমা ২০২৯ সাল পর্যন্ত পেছানোর দাবি জানিয়েছে বিসিআই।

বিসিআই সভাপতি বলেন, গত সরকার বাহবা নেওয়ার জন্য ফোলানো-ফাঁপানো অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান দিয়ে উত্তরণের পথে হেঁটেছিল। আমরা ব্যবসায়ীরা মনে করছি, এই সময়সীমা পেছানো না হলে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধস নামবে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ