শিরোনাম
পুলিশের ১৬ জন ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। প্রবাসী বাংলাদেশিদের দায়িত্বশীল আচরণ, সততা ও নিয়মানুবর্তিতার মাধ্যমে জাপানের সঙ্গে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব : জামায়াতের আমীর আজ  বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আগামী ১৬ মে চাঁদপুর সফরে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্রুততম সময়ে ঢাকার সঙ্গে সিলেটের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের কাজ শুরু করা হবে : প্রধানমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সংঘাত ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে : ডোনাল্ড ট্রাম্প  হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মাঝে এমআরটি ক্লাবের খেলনা সামগ্রী বিতরণ। পোরশায় উৎসব মুখর পরিবেশে মহান মে দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।  পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ কর্তৃক কুরআন মাজিদ বিতরন
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন

ড. মুহাম্মদ ইউনুসের আমন্ত্রণে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জাতিসংঘ মহাসচিবের ইফতার ।

রিপোটারের নাম / ৩৩৬ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০২৫

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক : আজ কক্সবাজারে অবস্থিত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক (এফডিএমএন) শিবিরে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর আমন্ত্রণে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস প্রায় লক্ষাধিক এফডিএমএন এর সাথে ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। এ বিশেষ আয়োজনে প্রথমে সেনাবাহিনী প্রধান মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনুস’কে আন্তরিক অভ্যর্থনা জানান। অতঃপর, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ও সেনাপ্রধান একসঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিব’কে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এ আয়োজনটি সম্পন্ন হয়।

 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন, শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন (আরআরসি), জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, দেশি ও আন্তর্জাতিক এনজিও এবং এফডিএমএন স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে এক যৌথ উদ্যোগ ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। সেনাবাহিনীর প্রায় সহস্রাধিক সদস্য কর্তৃক অনুষ্ঠানস্থলের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। এছাড়াও, সেনাবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রধান অতিথি ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের আসন ব্যবস্থা থেকে শুরু করে লক্ষাধিক অতিথির জন্য আসন ব্যবস্থা প্রস্তুত এবং ইফতারের আয়োজন করা হয়।

 

জাতিসংঘ মহাসচিবের এই ঐতিহাসিক সফর এফডিএমএন জনগোষ্ঠীর নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও তাদের ভবিষ্যৎ পুনর্বাসন প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ