শিরোনাম
নগরফুল ও ওশান নেটওয়ার্ক এক্সপ্রেস-এর উদ্যোগে পথশিশুদের মাঝে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ, হেলথ ক্যাম্প ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত পাটগ্রামে সাংবাদিকদের সাথে জামায়াতে ইসলামীর মতবিনিময়, আনোয়ারুল ইসলাম রাজু’র অংশগ্রহণ সাতক্ষীরা–১ আসনে নির্বাচনী উত্তাপ: মাঠে সক্রিয় জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ পোরশায় মাসিক সমন্বয় সভা এবং বুদ্ধিজীবি ও বিজয় দিবস উদযাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত।  চট্টগ্রামের কালুরঘাট এলাকায় পোশাক কারখানার গুদামে আগুন নিয়ন্ত্রণে ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিস ও চট্টগ্রাম সিটি যুব রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট। সড়ক দুর্ঘটনায় পা হারানো আজিজুলকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা অব্যাহত রাখার দাবি পরিবারের লালমনিরহাটে প্রেসফোর নির্বাচনে: সভাপতি সুমন, সম্পাদক দুলাল নির্বাচিত” ছাতকে সাংবাদিকদের দোয়া-মিলাদ মাহমুদ আলমের মায়ের রুহের মাগফিরাত কামনায় দাঁড়িপাল্লার বিজয় নিশ্চিত করতে ছৈলা আফজলাবাদে জামায়াতে ইসলামী’র ওয়ার্ড সমাবেশ মনোহরদী-বেলাব আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা জাহাঙ্গীর আলমের নির্বাচনী ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ! 
শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:৪৫ অপরাহ্ন

দুর্ঘটনায় লাশ হয়ে বাড়িতে আসলো চঞ্চল 

রিপোটারের নাম / ১৬৮ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০২৫

 

মো: গোলাম কিবরিয়া ,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি : সব স্বপ্ন শেষ করে করে , দুর্ঘটনায় লাশ হয়ে বাড়ীতে আসলেন চঞ্চল।

স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২০ দিন পর দেশে ফিরলেন শাহ আলম চঞ্চল—তবে জীবিত নয়, লাশ হয়ে। মালয়েশিয়ায় দুর্ঘটনায় নিহত এই প্রবাসীর স্বপ্ন ছিল ধার-দেনা শোধ করে ঘর বাঁধার। কিন্তু সব স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই বিদায় নিতে হলো তাঁকে।

নিহত শাহ আলম চঞ্চল (২৫) রাজশাহীর বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের মহদীপুর গ্রামের জফির উদ্দীন মৃধার ছেলে। গত (৩০ এপ্রিল ২০২৫) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মালয়েশিয়ায় কর্মরত অবস্থায় এক্সকাভেটর (ভেকু) মেশিনের ধাক্কায় পড়ে গিয়ে তিনি প্রাণ হারান।

২০ দিন পর, বুধবার (২১ মে ২০২৫) সকালে নিজ গ্রামে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় প্রবাসী চঞ্চলকে। শোকাচ্ছন্ন পরিবেশ। মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন স্বজনরা। মা-বাবা বাকরুদ্ধ, ছোট বোন সুমি খাতুন বুক চাপড়ে কাঁদছিলেন।

দুই বছর আগে চঞ্চল নতুন স্বপ্ন নিয়ে ধার-দেনা করে শ্রমিকের ভিসায় মালয়েশিয়া যান। সেখানে একটি প্রতিষ্ঠানে এক্সকাভেটর মেশিন চালকের সহকারী হিসেবে কাজ করছিলেন। সবে মাত্র ধার-দেনা পরিশোধ শেষ করে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু সেই এক্সকাভেটর মেশিনই কেড়ে নেয় তাঁর প্রাণ, ভেঙে দেয় পুরো পরিবারের স্বপ্ন।

নিহতের পিতা জফির উদ্দীন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “কোরবানির ঈদের পর ছুটিতে এসে বিয়ে করার কথা ছিল ছেলের। মৃত্যুর আগের রাতেও আমাদের সঙ্গে কথা হয়েছে।” তিনি আরও জানান, মালয়েশিয়ায় যে কোম্পানিতে চঞ্চল কাজ করতেন, তারা মরদেহ ঢাকায় পাঠানোর খরচ বহন করেছে। তবে ঢাকা থেকে বাড়ি আনতে তাদের নিজ খরচে প্রায় ১৭ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

মা সাথী বেগম বলেন, “ছেলেকে বিয়ে দিয়ে ঘরে আনব, বউ রান্না করে আমাদের খাওয়াবে—এটাই ছিল স্বপ্ন। ভাবতেও পারিনি, ছেলে লাশ হয়ে ঘরে ফিরবে।”

সব কিছুই যেন আজ শেষ হয়ে গেল ।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ