শিরোনাম
চন্দনাইশে মখলেছুর রহমান চৌধুরী-আলতাজ খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা সমরকন্দী ইসলামীক সাংস্কৃতিক ফোরামের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন ও ঈদ পুনর্মিলনী চন্দনাইশ বৈলতলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী মেলা ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বসতভিটা দখল নিয়ে বর্বর হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪ যোগ্য নেতৃত্বের খোঁজে কালিগঞ্জবাসী: পছন্দের শীর্ষে সাংবাদিক শামীম। প্রযুক্তি বনাম নৈতিকতা: এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও নকলমুক্ত আগামীর চ্যালেঞ্জ।। হাম টিকার অভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের দাবি – এডব্লিউসিআরএফ রাশিয়ার ফার্স্ট সেক্রেটারীর সাথে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় পোরশায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে ২৭০টি ছাগল বিতরণ।  গণমানুষের প্রতিনিধিত্বশীল সাংবাদিকতা পছন্দ করতেন প্রয়াত সাংবাদিক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন

বাংলাদেশে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রাজনৈতিক হয়রানি ও প্রতিহিংসা : টিউলিপ

রিপোটারের নাম / ২৭৭ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক : বাংলাদেশে নিজের বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানাকে রাজনৈতিক হয়রানি ও প্রতিহিংসা বলে দাবি করেছেন ব্রিটিশ এমপি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিক।

সোমবার (১৪ এপ্রিল) দ্য গার্ডিয়ানের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকার কূটনৈতিক এলাকায় ‘অবৈধভাবে’ জমি পাওয়ার অভিযোগ এবং বাংলাদেশে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রসঙ্গে লন্ডনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে তিনি একথা বলেন।

তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ কখনোই সরাসরি কোনো অভিযোগ আনেনি বা যোগাযোগ করেনি জানিয়ে এমন অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে টিউলিপ বলেন, আমি কোনো বেআইনি কাজ করিনি, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ষড়যন্ত্র। শুরু থেকেই মিডিয়ার মাধ্যমে আমার বিচার করা হয়েছে। আমার আইনজীবীরা একাধিকবার চিঠি পাঠালেও কোনো জবাব আসেনি।

 

টিউলিপ সিদ্দিক বলেন, আমি নিশ্চিত, আপনারা বুঝবেন যে এই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারকে কোনো প্রসঙ্গ বা মন্তব্যের মাধ্যমে আমি বিশেষ গুরুত্ব দিতে পারি না। এটা পুরোপুরি আমাকে হয়রানি করার জন্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার। এমন কোনো প্রমাণ নেই যে আমি ভুল কিছু করেছি।

 

উল্লেখ্য, দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযোগ, টিউলিপ সিদ্দিক ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রভাবে ঢাকার অভিজাত এলাকায় জমি পেয়েছেন। ওই অভিযোগে শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ৫৩ জনের বিরুদ্ধে একযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। এই তালিকায় টিউলিপ সিদ্দিকসহ শেখ হাসিনার আত্মীয়রাও রয়েছেন।

তবে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত টিউলিপের পরিবারের সম্পদ নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের নৈতিকতা উপদেষ্টা লরি ম্যাগনাস স্পষ্ট করেছেন, টিউলিপ কোনো নীতিমালা লঙ্ঘন করেননি, এবং তার সম্পত্তির উৎস নিয়ে কোনো বেআইনি প্রমাণও পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে টিউলিপ নিজ থেকেই ব্রিটিশ সরকারের অর্থনৈতিক সচিবের পদ থেকে পদত্যাগ করেন, যাতে তার পারিবারিক বিষয় নিয়ে সরকার কোনো বিব্রতকর পরিস্থিতিতে না পড়ে।

টিউলিপের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, এই মামলার কোনো ভিত্তি নেই। জমি বরাদ্দ সংক্রান্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য। তাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতেই এই মামলা করা হয়েছে।

যদিও যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে এখনো কোনো প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই, তবুও বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন টিউলিপকে বিচারের আওতায় আনার চেষ্টা করছে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ