শিরোনাম
দুই টাকায় স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন লিবিয়ায় চার শতাধিক বাংলাদেশির ওপর নৃশংস নির্যাতনের অভিযোগ — আশরাফ-বাহার ‘মানবপাচার মাফিয়া’ চক্র নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ছাতকে বাসায় অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার মজুত, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা যুক্তরাজ্যে জন্ম নেওয়া আয়রার জন্য নিজ গ্রামে দোয়া মাহফিল উন্নয়ন ও বাণিজ্য প্রসারে এমপি মিলনের সাথে লাইমস্টোন ব্যবসায়ীদের সাক্ষাৎ সিএসসিআর এর উদ্যোগে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ভাষা শহীদের প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রদ্ধা নিবেদন  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপি থেকে জয়ী প্রার্থীরা। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন: তারেক রহমানকে এডব্লিউসিআরএফ-এর অভিনন্দন লালমনিরহাটের ৩টি আসনেই ধানের শীষ বিজয়ী।
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন

‘বিনিময়’ নামে যে প্লাটফর্ম করা হয়েছিল সেটি ছিল জয়ের শেল কোম্পানি : গভর্নর

রিপোটারের নাম / ৩৪৩ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫

 

এইচটি বাংলা অর্থনীতি ডেস্ক : বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, আন্তঃব্যাংক মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) এগোতে না পারার একটা বড় কারণ এটাকে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেওয়া হয়েছিল। আন্তঃব্যাংক এমএফএস পরিচালনার জন্য ‘বিনিময়’ নামে যে প্লাটফর্ম করা হয়েছিল সেটি ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের শেল কোম্পানি।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীতে এক আলোচনায় তিনি এ তথ্য জানান।

 

গভর্নর বলেন, ‘আমাদের কর ব্যবস্থাপনার পূর্ণ অনলাইন প্রয়োজন, ভ্যাট- ট্যাক্স দেওয়ার ক্ষেত্রে পূর্ণ অনলাইন না হলে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি বন্ধ হবে না। কয়েক বছর আগে আমাদের গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিআরই থেকে ট্যাক্স ফাইল জমা দিতে গিয়ে একটি অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিল। আমাদের ম্যানেজারকে ডেকে নিয়ে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। তা না দেওয়ায় পরে বদলি হয়ে গেছে। এরকম হলে কি করবে বলেন।’

 

তিনি বলেন, ‘একটি পণ্য আমদানি থেকে উৎপাদন ও বিক্রি পর্যন্ত ১০ ভাগের ওপরে ভ্যাট হওয়া উচিত না। আমি মনে করি বর্তমানে যে ১৫ ভাগ পর্যন্ত ভ্যাট দিতে হচ্ছে তা সকলের জন্য কঠিন হবে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘ইমিডিয়েটলি রাজস্ব খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন হবে না। এখানে অনেক ধরনের সংস্কার দরকার রয়েছে। যা করতে ৩ থেকে ৪ বছর লাগবে। বর্তমান সরকার হয়তো এই সময়টা পাবে না, তবে আমরা শুরু করব।’

 

গভর্নর বলেন, ‘অনেকে মূল্যস্ফীতি এর ক্ষেত্রে পলিসি কাজ করছে না’ এমন মন্তব্য করছেন, আমি বলব পলিসি ইজ ওয়ার্কিং একটু কন্ট্রোল ইনফ্লেশন। উন্নতশীল দেশগুলোতেও পদক্ষেপ নেওয়ার পর ১০ থেকে ১২ মাস সময় প্রয়োজন হয়। আমরা আশা করছি আগামী জুনের মধ্যে ভালো একটা সুফল পাব।

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরে এখন যে ডিপোজিট গ্রোথ রয়েছে তা খুবই কম। আমি মনে করি আমাদের ব্যাংকিং সেক্টরের ন্যূনতম ১৪ থেকে ১৬ ভাগ পর্যন্ত ডিপোজিট গ্রোথ হওয়া দরকার।

 

আলোচনায় অংশ নেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের এমডি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খিন চৌধুরী, প্রাইম ব্যাংকের চেয়ারম্যান তানজিল এ চৌধুরী, সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিনসহ অনেকে।

 

অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ীরা কর হার না বাড়িয়ে করের আওতা বাড়ানোর অনুরোধ জানান।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ