শিরোনাম
এমআরটি ক্লাবের উদ্যোগে কধুরখীল ইসলামিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ। ঢাকা কলেজে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুখ ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন সামিট- ২০২৬’ মহেশপুরে আওয়ামী লীগ নেতাকে জিম্মি করে টাকা আদায়: আটক ৩। গোল্ডেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী ফ্রি হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত তালায় “প্রাণী বন্ধু উন্নয়ন ফাউন্ডেশন”-এর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ  পুলিশের ১৬ জন ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। প্রবাসী বাংলাদেশিদের দায়িত্বশীল আচরণ, সততা ও নিয়মানুবর্তিতার মাধ্যমে জাপানের সঙ্গে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব : জামায়াতের আমীর আজ  বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আগামী ১৬ মে চাঁদপুর সফরে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্রুততম সময়ে ঢাকার সঙ্গে সিলেটের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের কাজ শুরু করা হবে : প্রধানমন্ত্রী
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন

ভ্রমণে কসর নামাজের নিয়ম-কানুন।

রিপোটারের নাম / ৫৪৯ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫

 

কসর নামাজের বিধান

কসর নামাজ আল্লাহর পক্ষ থেকে মুসাফিরদের জন্য একটি বিশেষ রেয়াত। ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, “আল্লাহ মুসাফিরের জন্য নামাজ সংক্ষিপ্ত করতে এবং রোজা ভঙ্গ করার অনুমতি দিয়েছেন।” (সুনান নাসাঈ, হাদিস: ১৪৫২)

 

আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, “নামাজ প্রথমে দুই রাকাত ফরজ করা হয়েছিল। পরে মুকিমদের (মুসাফির নন এমন) জন্য চার রাকাত করা হয়, কিন্তু মুসাফিরদের জন্য দুই রাকাত রাখা হয়।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১০৮১)

 

কসর নামাজের শর্ত

কসর নামাজ আদায়ের জন্য কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়:

 

মুসাফির হওয়া: ব্যক্তিকে মুসাফির হতে হবে। শরিয়তে মুসাফির বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি নিজ বাসস্থান থেকে প্রায় ৪৮ মাইল (৭৭.২৪ কিলোমিটার বা হানাফি মাজহাব অনুযায়ী প্রায় ৮০ কিলোমিটার) বা তার বেশি দূরত্বের সফরে বের হন।

 

সফরের উদ্দেশ্য: সফরের উদ্দেশ্য হতে হবে বৈধ, যেমন ব্যবসা, শিক্ষা, হজ, উমরা বা পরিবারের সঙ্গে দেখা করা। হারাম উদ্দেশ্যে (যেমন চুরি বা অনৈতিক কাজ) কসর নামাজের অনুমতি নেই।

 

সফরের সময়কাল: মুসাফির যদি কোনো স্থানে ১৫ দিনের কম সময় অবস্থান করেন, তবে তিনি কসর নামাজ আদায় করতে পারেন। ১৫ দিন বা তার বেশি থাকার নিয়ত হলে কসর নামাজের অনুমতি নেই।

 

নামাজের সময়: কসর নামাজ শুধুমাত্র ফরজ নামাজের সময় আদায় করা যায়।

 

কসর নামাজের নিয়ম

কসর নামাজ আদায়ের নিয়ম সাধারণ ফরজ নামাজের মতোই, তবে রাকাত সংখ্যা সংক্ষিপ্ত করা হয়।

 

রাকাত সংখ্যা: জোহর, আসর এবং এশার চার রাকাত ফরজ নামাজ দুই রাকাতে সংক্ষিপ্ত করা হয়। ফজর (২ রাকাত) এবং মাগরিব (৩ রাকাত) কসর করা যায় না।

 

পড়ার পদ্ধতি: সাধারণ ফরজ নামাজের মতোই পড়তে হবে। প্রথম রাকাতে সুরা ফাতিহার পর একটি সুরা, দ্বিতীয় রাকাতে শুধু সুরা ফাতিহা বা অন্য সুরা পড়া। দুই রাকাত শেষে সালাম ফিরিয়ে নামাজ সম্পন্ন করা।

 

জামাতে নামাজ: মুসাফির নয় এমন ইমামের পেছনে নামাজ পড়লে পূর্ণ চার রাকাত পড়তে হবে। তবে একা পড়লে দুই রাকাত কসর করা যায়।

 

জমা নামাজ: হজের সফরে মুসাফির জোহর ও আসর বা মাগরিব ও এশার নামাজ একসঙ্গে আদায় করতে পারেন (জমা তাকদিম বা জমা তাখির)। জোহরের সময় জোহর ও আসর একসঙ্গে পড়া।

 

নামাজের পর দোয়া: নামাজ শেষে মুসাফিরের জন্য বিশেষ দোয়া পড়া যায়, যেমন: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ফি সাফারি হাজা আল-বিররা ওয়াত তাকওয়া (হে আল্লাহ, আমি এই সফরে তোমার কাছে পুণ্য ও তাকওয়া কামনা করি)। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৩৪৫


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ