শিরোনাম
পাটগ্রামের দহগ্রাম ইউনিয়নের প্রধান সড়ক ভেঙ্গে যোগাযোগ বিছিন্ন অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে ব্যাটিং ধসের দিনে মিরাজের অপরাজিত সেঞ্চুরি মাগুরার বাড়িতে হামলার প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন সাকিব। দেশীয় পাঁচ প্রজাতির ছোট মাছে উদ্বেগজনক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত । সরকারকে ব্যর্থ করতে দেশের বিরুদ্ধে একটি দল চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে : রিজভী দেশের বাজারে ভরিতে ১০ হাজার টাকা সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদের সাথে এইচটি বাংলা অনলাইন পোর্টাল ও আইপি টিভির সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ। পাটগ্রামে জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ১১দলীয় গণ মিছিল ও গণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত পোরশায় গণঅভ্যুত্থান দিবসে শহিদ ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা।  ১১ দলীয় ঐক্য পোরশা উপজেলা শাখার আয়োজনে ৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালন উপলক্ষে নিতপুর কপালের মোড়ে মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত। 
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৯ অপরাহ্ন

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ৩০ মে

রিপোটারের নাম / ১৫০ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক : মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ৩০ মে শনিবার। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিপথগামী সৈনিকের হাতে তিনি শাহাদাতবরণ করেন। সেই থেকেই তাঁর প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি দিবসটিকে যথাযথ মর্যাদায় শাহাদাতবার্ষিকী হিসেবে পালন করে আসছে। প্রতি বছরই দিবসটি উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, দোয়া–মোনাজাতে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা–কর্মী অংশ নেন। অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা, থাকে কয়েক দিনব্যাপী কর্মসূচি। এবারও দলের প্রতিষ্ঠাতার শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি সারা দেশে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

 

জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলীর বাগবাড়িতে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মনসুর রহমান কলকাতায় প্রধান কেমিস্ট হিসেবে সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত ছিলেন। শৈশব ও কৈশোরের একটি সময় গ্রামে কাটিয়ে জিয়া পিতার সঙ্গে কলকাতায় এবং দেশ বিভাগের পর করাচিতে চলে যান। শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি কাকুলে অফিসার ক্যাডেট হিসেবে ভর্তি হন। ১৯৫৫ সালে তিনি কমিশন লাভ করেন। ১৯৬৫ সালে পাক–ভারত যুদ্ধে খেমকারান সেক্টরে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে একটি কোম্পানির অধিনায়ক হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। তাঁর কোম্পানি যুদ্ধে সবচেয়ে অধিক সাফল্য ও খেতাব লাভ করে। সৈনিক জীবনে তিনি যেমন চরম পেশাদারত্ব দেখিয়েছেন, তেমনি জাতীয় জীবনের সব সংকটে শক্ত হাতে হাল ধরেছেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনী যখন নিরস্ত্র জনতার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মেজর জিয়াউর রহমানই তখন কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ