শিরোনাম
ডিএমপি পুলিশের সাত কর্মকর্তার রদবদল। শেখ হাসিনাকে ও হাদি হত্যা মামলার আসামিদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতের প্রতি অনুরোধ। পোরশায় উৎসব মুখর পরিবেশে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। চন্দনাইশে মানবতার ফেরিওয়ালা সংগঠন কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন চট্টগ্রাম চান্দগাঁওয়ে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত কৃতিত্ব কোনো একক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়; বরং এই কৃতিত্ব দেশের জনগণের : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী পোরশার পুরইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান কে সংবর্ধনা।  পাটগ্রামে ১০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার ড্যাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চন্দনাইশের হাশিমপুর ৪ নং ওয়ার্ডে ৫’শতাধিক হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন মনজুর মোরশেদ
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন

‘মুজিব-একটি জাতির রূপকার’ সিনেমাটি সবার দেখা প্রয়োজন : তথ্যমন্ত্রী

রিপোটারের নাম / ৬৪৮ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৩

 

এইচটি বাংলা ডেস্ক: পরিবারের বাচ্চা থেকে বড় সব বয়সের সদস্যদের নিয়ে সিনেমা হলে গিয়ে বঙ্গবন্ধু বায়োপিক ‘মুজিব-একটি জাতির রূপকার’ দেখেছেন তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

শুক্রবার ২০ অক্টোবর রাজধানীর পান্থপথে বসুন্ধরা সিটি শপিং মলে স্টার সিনেপ্লেক্সে সকালের প্রদর্শনীতে পঞ্চমবারের মতো সিনেমাটি দেখা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সম্প্রচার মন্ত্রী। সাংবাদিকরা তার পুত্র সাফওয়ানের সাথেও কথা বলে।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সিনেমাটি সবার দেখা প্রয়োজন। আমি বাচ্চাদের নিয়ে এসেছি। কারণ, মুখে বলে ইতিহাস জানানো যায়, কিন্তু সেটি যখন ছবিতে দেখা হয়, তখন হৃদয়ে গেঁথে যায়। এ জন্য নতুন প্রজন্মেরও সবার সিনেমাটি দেখা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।’

সিনেমাটি হলে দেখতে আসা নিয়ে প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে আমার পঞ্চমবার ছবিটি দেখা হলো। সিনেমাটি বানানোর সময় দু’বার দেখেছি। টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে একবার দেখেছি, তারপর প্রিমিয়ার শো’তে দেখেছি, আর আজকে বাচ্চাদের নিয়ে হলে এসেছি।’

সিনেমা সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমত: এই সিনেমার নামই বলে দেয় ছবিতে কি দেখাচ্ছে- ‘মুজিব-একটি জাতির রূপকার’, ‘মুজিব-দ্য মেকিং অভ আ নেশন’। এই ছবিটি দেখলে বোঝা যায়, বঙ্গবন্ধু কিভাবে মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও বাঙালির অধিকারের প্রশ্নে, বাঙালির স্বাধিকার, স্বাধীনতার প্রশ্নে অবিচল ছিলেন, কিভাবে তিনি মৃত্যুকে হাতের মুঠোয় নিয়ে দৃঢ় চিত্তে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।’

বায়োপিকটির বিশেষত্বের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে তিন ঘন্টার মধ্যে দেশের ইতিহাস সংক্ষেপে জানা, কিভাবে আমাদের স্বাধীনতা এলো, বঙ্গবন্ধু কিভাবে খোকা থেকে মুজিব, মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা হয়ে উঠলেন, সেটি এ ছবিতে চিত্রায়িত হয়েছে।’

আমার যথেষ্ট বয়স, তবুও অনেক কিছু আমার দেখা হয়নি যা এ ছবিতে আছে -এমন মন্তব্য করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, ‘যেমন সোহরাওয়ার্দীকে আমি দেখিনি। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকেও সেভাবে দেখা হয়নি। কাগজে, পত্র-পত্রিকায় যেটুকু দেখেছি। এবং সবচেয়ে মর্মান্তিক যে বিষয়টি, ১৫ আগস্টের মর্মান্তিক হত্যাকান্ড এখানে চিত্রায়িত হয়েছে। খুনীরা যে কিরকম পাষন্ড ছিল, নির্মম ছিল, ১৫ আগস্টের চিত্রায়নটি দেখলে সেটি অনুধাবন করা যায়। আমি পাঁচবার দেখার পরও ইমোশোন ধরে রাখতে পারিনি, পারছি না।’

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ