শিরোনাম
ঢাকায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালিত হলো এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন। পোরশায় ব্র্যাকের মাইক্রােফাইন্যান্স কর্মসূচির আয়োজনে ২৭০০ টি বিনা মূল্যে গাছের চারা বিতরণ । চন্দনাইশে সম্পত্তি বিরোধ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন, মিথ্যা মামলা ও হয়রানির অভিযোগ চন্দনাইশে হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের আলোচনা সভা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া ভেনেজুয়েলাকে সহায়তার দিবে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। চীন বাংলাদেশের অন্যতম ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ : প্রধানমন্ত্রী  ইরান যুদ্ধের কারনে ট্রাম্পের প্রশাসন কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত  ডলারের বাজেট অনুমোদনের আবেদন জানিয়েছে।  বিএসএফ কর্তৃক পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিদের ফেরত নিয়ে যাওয়া। চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে ‘দুঃসময়ের কাণ্ডারি’ ফয়সাল সিকদার সোহানকে চান তৃণমূল কর্মীরা
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন

মৃত্যুর আগে চট্টগ্রাম ছাত্রদল নেতার ফেসবুক স্ট্যাটাস -চলে আসুন ষোলশহর।

রিপোটারের নাম / ৫৮৫ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫

 

 

মো:রেজাউল মোস্তফা, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : “জুলাই শহীদ দিবস” ১৬ জুলাই ২০২৪ শহীদ আবু সাঈদ, ওয়াসিমসহ ছয় তরুণের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল স্বাধীনতার রাজপথ!

 

আজকের এই দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অগ্নিস্ফুলিঙ্গের জন্ম দিয়েছিল—

প্রতিবাদের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ।

স্বৈরাচার, দুর্নীতি আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র এক প্রতিরোধের সূচনা হয়েছিল এদিনে।

 

১৬ জুলাই ২০২৪—

কোটা সংস্কারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পুলিশ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী বাহিনী।

তিনটি জেলায় প্রাণ হারান ছয়জন তরুণ। তাদের রক্তে রঞ্জিত হয় এ দেশের রাজপথ। তাদের নাম লেখা হয় শহীদের খাতায়—‌আবু সাঈদ, ওয়াসিম, আর চার সহযোদ্ধা চিরদিনের জন্য অমর হয়ে যান এই মাটিতে।

১৬ জুলাই,বিকেলে চট্টগ্রামে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা।

নিরস্ত্র ছাত্রদের রক্তে ভেসে যায় রাজপথ। সে বিকেলে চট্টগ্রামে তিনজন বীর শিক্ষার্থী শহীদ হন।

তাদের মধ্যে বীর চট্টলার প্রথম শহীদ হয়েছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা ওয়াসিম আকরাম।

 

শহীদ হওয়ার মাত্র ১৬ ঘণ্টা আগে ফেসবুকে লিখেছিলেন ওয়াসিম:

“সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে আছে আমার প্রাণের সংগঠন (ছাত্রদল), আমি এই পরিচয়েই শহীদ হবো।”

কথা রেখেছেন ওয়াসিম।

প্রাণ দিয়েও অটুট ছিলেন নিজের আদর্শে, নিজের চেতনায়।মৃত্যুর আগেও চট্টগ্রাম ছাত্রদল নেতার ফেসবুক স্ট্যাটাস দেখা যায় -চলে আসুন ষোলশহর।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ